চলমান বিধিনিষেধ ৫ আগস্টের পর আবার বাড়বে কিনা সে সিদ্ধান্ত আগামী ৩ অথবা ৪ আগস্ট নেয়া হবে বলে একাত্তরকে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
শনিবার (৩১ জুলাই) তিনি বলেন, আমাদের রপ্তানি-মুখী যে শিল্প কলকারখানাগুলো আছে, সেগুলো আগামীকাল (রোববার) থেকে খুলে দেয়া হয়েছে। যেসব শ্রমিক শুধুমাত্র ঢাকাতে আছে তাদেরকে নিয়েই প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করবে ৫ তারিখ পর্যন্ত।
এর মধ্যে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো পরবর্তীতে কি করা যায়। বিধিনিষেধ কী পরিসরে খুলবে অথবা কী হবে- সে বিষয়ে আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি। প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত জানাবেন। সে পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ব্যবস্থা নেব।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীদের সাথে যখন আমাদের মিটিং হয়েছে তখনও তারা কথা দিয়েছে, যারা ঢাকায় আছে শুধু তাদেরকে দিয়ে কর্মকাণ্ড শুরু করবে। কেউ চাকরি হারাবে না। ৫ তারিখের পর থেকে পর্যায়ক্রমে তারা তাদের কর্মীদের নিয়ে আসবে। এসময়ের মধ্যে কারও কোনো ছাটাই বা এ ধরনের কোনো আশঙ্কা নেই।
‘বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসানও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, তিনিও বলেছেন এটা। তাদের সঙ্গে যখন কথা হয়, তারা এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যারা শুধুমাত্র ঢাকাতে আছেন, তাদের দিয়েই কাজ শুরু করবেন।’
ফরহাদ হোসেন বলেন, তারা (বিজিএমইএ) স্পষ্ট করে দিয়েছে, কারও আতঙ্কিত হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। মলিকরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কেউ ছাটাই হবে না। ৫ তারিখের পর শ্রমিকরা কীভাবে আসবে, সেটা আমরা জানাবো।
শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকে যেসব শ্রমিক ঢাকা ফিরছেন, তারা অতি উৎসাহী হয়ে ফিরছেন। না আসলেও কারো চাকরি যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে এভাবে হুড়োহুড়ি না করে শ্রমিকদের উচিত ধীরে ধীরে আসা।
আরও পড়ুন: কারখানা খুললেও গণপরিবহন বন্ধ, ভোগান্তি
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। যা চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। বিধিনিষেধ চলাকালে দেশের সব শিল্প-কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।
তবে ঈদের পর থেকেই কারখানা খোলার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিল্প-কারখানার মালিকরা। ওই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (৩০ জুলাই) গার্মেন্টসসহ রপ্তানি-মুখী শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।
একাত্তর/আরএ