কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করছে তিন বিচারপতির তদন্ত কমিশন। ৪ আগস্ট তারা রংপুরে যাবেন।
বৃহস্পতিবার কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ১৬ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত ঘটনায় মৃত্যু, সহিংসতা, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা তদন্তে হাইকোর্ট বিভাগের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে তদন্ত কমিশন গঠনসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
কমিশন তদন্তকাজ শেষ করে আগামী ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্ত কমিশনের সভাপতি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান বলেন, নতুন কমিশন গঠনের পর নিজেরা বসেছিলাম। সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে তদন্তকাজ পরিচালনার জন্য অফিস থাকতে হবে, যেটি এর আগে বলেছিলাম। অফিস নির্ধারণ করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের মেডিয়েশন সেন্টার। এই অফিস যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এখানে সবাই চিঠি–তথ্যাদি পাঠাতে পারবেন।
তিনি জানান, যোগাযোগের জন্য একটি ই–মেইলও (inquirycommission@cabinet.gov.bd) খোলা হয়েছে। এই ঠিকানায় দেশের যেকোনো নাগরিকের কাছে কোনো তথ্য–উপাত্ত থাকলে, তারা যদি নাম গোপন করে চান, তথ্য–উপাত্ত পাঠাতে পারবেন।
খোন্দকার দিলীরুজ্জামান বলেন, রংপুরে গিয়ে সশরীর ঘটনা সংঘটনের স্থান পরিদর্শন করবো। প্রয়োজনীয় সাক্ষী যারা ওখানে আছেন, সাক্ষ্য গ্রহণ করবো।
রংপুর সার্কিট হাউসে ৫, ৬ ও ৭ আগস্ট সাক্ষ্য গ্রহণ বিষয়ে একটি সময়সূচি তুলে ধরেন বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।
জানান, নিহত মো. আবু সাঈদের বিষয়ে ৫ আগস্ট, নিহত সাজ্জাদ হোসেন, মোসলেম উদ্দীন মিলন ও মো. মানিক মিয়ার বিষয়ে ৬ আগস্ট এবং নিহত মো. মেরাজুল ইসলাম ও মো. আব্দুল্লাহ আল তাহের বিষয়ে ৭ আগস্ট সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।