সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তার উপদেষ্টা, সাবেক মন্ত্রিসভার সদস্য, সদ্য বিলুপ্ত জাতীয় সংসদের সব সদস্যের ব্যবহৃত কূটনৈতিক পাসপোর্ট (লাল পাসপোর্ট) প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এছাড়া যেসব ব্যক্তি কোনো পদে অধিষ্ঠিত থাকার কারণে কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছিলেন, কূটনৈতিক পাসপোর্ট নিয়েছেন এবং ওই পদে তাদের নিয়োগ বা কর্মকালের অবসান ঘটলে তাদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ করা সব কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট বাতিলে সরকারের সিদ্ধান্তের কথা জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মশিউর রহমান।
বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ফয়সল হাসানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রত্যাহারের ভিত্তিতে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে অনুসরণীয় নীতিমালা জারি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগ।
নীতিমালায় বলা হয়েছে- এসব ব্যক্তির মধ্যে যারা সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করবেন, অন্তত দুটি তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের অনুকূলে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করা যেতে পারে। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের বহিরাগমন-৪ শাখার উপ-সচিব মো. কামরুজজামানের সই করা চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
লাল পাসপোর্ট সাধারণত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা পেয়ে থাকেন। এর পাশাপাশি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, বিদেশে বাংলাদেশি মিশনের কর্মকর্তা ও সরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্যরাও লাল পাসপোর্ট পেয়ে থাকেন।