কথিত আইপি টিভি ও ভুঁইফোড় অনলাইনের স্টিকার লাগিয়ে চলা গাড়ি ধরা শুরু করেছে রাজধানীর ট্রাফিক পুলিশ বিভাগ।
জয়যাত্রা টেলিভিশন কাণ্ডের পর রাজধানীর চেকপোস্টগুলোতে এসব গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়। পুলিশ বলছে, এসব গণমাধ্যমের কথিত কর্মীদের কারণে তাদের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) সকাল ১১টা। গাবতলী চেকপোস্টে এসে থামলো মুক্তির টেলিভিশন নামে স্টিকার লাগানো একটি গাড়ি।
ভেতরে বসে থাকা লোকজনের হাতে আছে টেলিভিশনের মতো করে তৈরি লোগো সম্বলিত একটি মাইক্রোফোনও।
চালকের আসনে থাকা ব্যক্তিও নিজেকে কথিত আইপি টিভির সাংবাদিক এবং একই সাথে একটি সংগঠনের নেতা বলে পুলিশকে পরিচয় দেন।
একাত্তর টেলিভিশনের সংবাদ বুলেটিনের নাম- সংবাদ সংযোগ। রাস্তায় দেখা গেলে, সংবাদ সংযোগ- নাম দিয়ে একটি কথিত অনলাইনের গাড়ি ঘুরছে পাঁচ যাত্রী নিয়ে।
পুলিশ তাদের আটকানোর পর একজন জানালেন জয়যাত্রা টেলিভিশন থেকে বের হয়ে তারা এই নামে একটি অনলাইন চালু করেছেন।
আগে এসব গাড়ি ছেড়ে দিলেও জয়যাত্রার কাহিনী বের হবার পর রাস্তায় পুলিশ এসব ভুঁইফোড়দের ধরতে সারাদিন তৎপর ছিলো।
শুধু গণমাধ্যমই নয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের স্টিকার ব্যবহার করে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ঢুকছিলেন এক চালক।
এছাড়া পাওয়া যায় শ্রমিক নেতা পরিচয় দিয়ে গাড়িতে ব্যবহার করা হচ্ছে সাইরেন ও হুটার। দেখে মনে হবে কোনো ভিআইপি চলাফেরা করছে।
প্রতিদিনই এমনই নানা বিড়ম্বনার কথা জানালেন ট্রাফিক সার্জেন্ট হারুনুর রশিদ। বলেন, এসব ভুঁইফোঁড় গণমাধ্যম ও নেতা পরিচয় দিয়ে ফোন করে গাড়ি ছাড়াতে চাপ দেয়া হয়।
আরও পড়ুন: বেরিয়ে আসছে মৌ-পিয়াসার পৃষ্ঠপোষকদের নাম
এদিকে, বিধি-নিষেধের মধ্যেও যারা নানা অজুহাতে রাজধানীতে প্রবেশ করছে তাদেরকে চেকপোস্টগুলোতে পড়তে হচ্ছে পুলিশের জেরার মুখে।
এদিকে, চেকপোস্ট জেল-জরিমানা করেও সর্বাত্মক লকডাউনে মানুষের চাপ কমানো যাচ্ছে না। গত কয়েকদিনের তুলনায় মঙ্গলবার রাজধানীতে ছিল ব্যাক্তিগত যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ।
একাত্তর/আরবিএস