ফিরে দেখা ২০২৪: কেমন আছেন অভ্যুত্থানের আহতরা

গণঅভ্যুত্থানে আহত ছাত্র জনতাকে এখনও অনুদান কিংবা সহায়তার জন্য ছুটাছুটি করতে হচ্ছে। তাদের অনেকের দিন কাটছে হাসপাতালের বিছানায়।

আহতদের এক লাখ আর শহীদ পরিবারগুলোকে পাঁচ লাখ টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের। তবে সেই টাকা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে অনেককে। জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন বলছে, সহায়তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন তারা।  

এক হাতে পঙ্গুত্বের প্রতীক ক্রাচ। অন্য হাতে চিকিৎসার জরুরি কাগজপত্র। টাঙ্গাইলের রেজাউল করীম ছুটছেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে। 

১৯ জুলাই আন্দোলন যোগ দেন রেজাউল। তার ডান পাকে দুভাগ করে উড়ে যায় চাইনিজ রাইফেলের বুলেট।  যে পায়ের জোরে তাড়ালেন স্বৈরাচার; শত চেষ্টায়ও তার সেই পা আর রক্ষা করতে পারেননি চিকিৎসকরা। যার চিকিৎসা এখনও চলমান। এবার ছুটে চলা অনুদানের আশায়। অথচ হতে পারতো উল্টোটাই। 

৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে মারা যান সাজু। কোলের শিশুকে নিয়ে সাজুর স্ত্রী, বাবা আর শ্বশুর এসেছেন জুলাই ফাউন্ডেশনে সাহায্যের আশায়। সেখানেও নানা জটিলতা। 

আছে ভিন্ন চিত্রও। বনশ্রীর ভ্যানচালক পেয়েছেন সহায়তার চেক। আন্দোলনের শুরুতে গুলিতে আহত হোন তিনি। তার মতো এমন অন্তত তিন হাজার আহত ও শহীদ পরিবার পেয়েছে ৫০ কোটি টাকার অনুদান।

গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া আহতদের অনেকে এখনও হাসপাতালের বিছানায়। তাদের দরকার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা। কারও কারও খরচের বোঝা এখনও বইতে হচ্ছে পরিবারকেই। 

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী বলছেন, আহত ও শহীদ পরিবারগুলোকে সাধ্য মতো সহায়তা করা হচ্ছে। আছে কিছু জটিলতাও। 

আহতদের মধ্যে থাকা জটিল রোগীদের বিদেশ পাঠানোরও চেষ্টা করছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।