স্টারলিংকে দুই উপায়ে নজরদারি রাখবে সরকার: ফয়েজ আহমদ

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করেছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, স্টারলিংকের মাধ্যমে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। স্টারলিংকে দুইটি উপায়ে সরকার নজরদারিতে রাখবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব স্টারলিংক চালু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। এদিনে দেশে নতুন টেলিগ্রাম সেবা যুক্ত হয়েছে। স্টারলিংকের ডেটার লিমিট থাকবে না। আনলিমিটেড ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহক।

তিনি জানান, শুরুতে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ দিয়ে শুরু করছে- স্টারলিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট। মাসিক খরচ একটিতে ৬০০০ টাকা, অপরটিতে ৪২০০। সেটাপ ও যন্ত্রপাতির জন্য এককালীন খরচ হবে ৪৭ হাজার টাকা।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ বলেন, স্টারলিংককে লোকাল গেটওয়ে ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ডিভাইসের জন্য সরকার থেকে অনাপত্তিপত্র নিতে হবে। ফলে স্টারলিংক ব্যবহার করে কেউ সন্ত্রাসী কিংবা দেশবিরোধী কার্যক্রম করার সুযোগ থাকবে না।

এতে করে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলে উল্লেখ করে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আরো বলেন, স্টারলিংক চালুর মধ্য দিয়ে গ্রাম ও শহরের ইন্টারনেট সেবার বৈষম্য দূর হবে। মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসার উদ্যোক্তা তৈরি হবে ও কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি হবে। দুই উপায়ে স্টারলিংককে নজরদারিতে রাখবে সরকার।