এবারের নির্বাচনে চার কোটি ৫৭ লাখ ভোটার প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন। আর মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ। কতো শতাংশ ভোট পড়লে, সেটাকে গ্রহণযোগ্য বলা যাবে- তার আইনি বা প্রচলিত কোনো ভিত্তি নাই। বিশ্লেষকরা বলছেন, ৬০ শতাংশের বেশি ভোট কাস্টিং হলে, সেই নির্বাচনকে খারাপ বলার সুযোগ কম।
এখন পর্যন্ত ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটু ব্যতিক্রম কারণ হলো সংসদ ও গণভোট একই সাথে হচ্ছে।
বিগত ১২ টি নির্বাচনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিহাসে সবচে বেশি ভোট কাস্টিং হয়, ৮৭ দশমিক ১৩ ভাগ। আর, সবচেয়ে কম ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে।
গেল সেপ্টেম্বরে ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, পরিবেশ ভালো আছে দেশে এবার ৭০ ভাগ ভোট কাস্টিং হতে পারে। সম্প্রতি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন ৫৫ ভাগ ভোট পড়তে পারে ১২ ফেব্রুয়ারিতে।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এস কে তৌফিক হক এবং নির্বাচন ব্যবস্থা সাবেক সদস্য সংস্কার কমিশন জেসমিন টুলী মনে করেন, এই হার নির্ভর করবে ভোটের দিনের পরিবেশের ওপর।
আওয়ামী লীগ ছাড়া দ্বিতীয়বারের মত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশে। এর আগে ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি দলটি। আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ ছাড়াও ভোট গ্রহণযোগ্য হবে যদি সহিংসতা ছাড়া ৬৫-৭০ ভাগ ভোট কাস্টিং হয়- এমন মত এই দুই বিশ্লেষকের।
গেল দুই মাসে প্রকাশিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জরিপ থেকে দেখা যাচ্ছে, সিংহভাগ মানুষ এবার ভোট দিতে চান। আর এদের মধ্যে ৪ কোটি ৫৭ লাখ নতুন ভোটার তারা মুখিয়ে আছেন ভোট দেওয়ার জন্য।