ঈদের দ্বিতীয় দিন রেল ও সড়ক দুর্ঘটনায় সারাদেশে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষেই একসাথে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ফেনি, হবিগঞ্জ, নাটোরে, ময়মনসিংহ ও নড়াইলেও সড়ক দুর্ঘটনায় বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুমিল্লায় রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে সারাদেশে ঘটা এসব দুর্ঘটনার নেপথ্য কারণ অবিলম্বে খুঁজে বের করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এসব দুর্ঘটনায় আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত এবং তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে, শনিবার রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় মামুন পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ ঘটনায় বাসের ১২ জন যাত্রী নিহত হন।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান জানান, এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন দু'টি আর রেল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। একই সঙ্গে দুই গেটম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে রোববার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর রামপুর এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স, বাস ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন।
হবিগঞ্জের মাধবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে আন্দিউড়া এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় পিকআপ ভ্যান ডোবায় পড়ে নারীসহ পাঁচজন নিহত হন।
এছাড়াও নাটোরের বড়াইগ্রামে গাছের সঙ্গে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছেন।
নিহতের পরিবার জানায়, আগামী সোমবার নিহত জুলফিকার আলীর বিয়ের অনুষ্ঠান। তিনি বোন ও দুলাভাইকে আনতে যাচ্ছিলেন এসময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।
এদিকে, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।