জনগণের দাবি ও প্রয়োজনের ভিত্তিতেই কুমিল্লাকে বিভাগে উন্নীত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, জনগণের দাবি হয়ে থাকলে কুমিল্লা বিভাগ হবে। সবাই যদি এই দাবির সঙ্গে একমত হন, তাহলে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
শনিবার, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সাথে দেশ পুনর্গঠনের অঙ্গীকার পুনরায় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার আগে দেশ, এবং দেশটা সবার।
সকাল থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ছোট ছোট মিছিলে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বরুড়ার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে জমায়েত হতে থাকেন। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যেই পুরো মাঠ হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে এক বিশাল সমাবেশে রূপ নেয়। দুপুর সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঞ্চে উঠলে উপস্থিত সমর্থকরা মুহুর্মুহু করতালিতে তাঁকে স্বাগত জানান। তিনি হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
পথসভায় বক্তব্য রাখার সময় উপস্থিত জনতার পক্ষ থেকে সমস্বরে ‘কুমিল্লা বিভাগ চাই’ দাবি উঠলে প্রধানমন্ত্রী জনগণের এই আবেগের প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেন। তিনি বলেন, জনগণের দেয়া ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে নির্বাচনের আগে যেসব পরিকল্পনা মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছিল, তার ওপর ভিত্তি করেই মানুষ ভোট দিয়েছে। ফলে জনগণের কাছে করা প্রতিটি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে।
বরুড়ার এই পথসভা শেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি চাঁদপুরে যান। সেখানে তিনি কৃষি ও পরিবেশের উন্নয়নে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। বেলা সাড়ে ১২টায় চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার উয়ারুক বাজারের ‘খোর্দ্দ খাল’ পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
এরপর দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের কুমারডুলি গ্রামে ‘বিশ্ব খাল’ পুনঃখনন কাজেরও সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কুমিল্লা সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের মনে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের নতুন আশার আলো সঞ্চারিত হয়েছে। নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং একই সাথে চাঁদপুরে খাল পুনঃখননের মতো উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে দেশ পুনর্গঠনে সরকারের যে দৃঢ় অঙ্গীকার, এই সফরের মাধ্যমে তা আবারও প্রকাশ পেল।
ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কের ভিত্তি ফারাক্কার ন্যায্য হিস্যা: ফখরুল
একে ধরিয়ে দিন, পুরস্কার নিন: পুলিশ