মে মাসের জ্বালানি মজুদ আছে, জুন-জুলাইয়ের কাজ চলছে: প্রতিমন্ত্রী

দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি ও সঙ্কট নিয়ে উত্তপ্ত জাতীয় সংসদ। জ্বালানি খাতের প্রকৃত চিত্র গোপন করে দায়িত্বশীলরা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, মে মাস পর্যন্ত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৯তম দিনের কার্যসূচিতে ৬৮ বিধি অনুযায়ী জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আনা এক নোটিশের ওপর আলোচনায় এসব কথা ওঠে আসে। দেশের বর্তমান জ্বালানি সঙ্কট নিরসন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে সরকারের কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের জ্বালানি সমস্যা নিয়ে দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সঙ্কেটর কথা অস্বীকার করে বিভ্রান্তিকর কথা বলছেন। বর্তমান সঙ্কেটর প্রকৃত তথ্য আড়াল না করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত। দ্রুত এই সঙ্কট নিরসনে সরকারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আগামী মে মাস পর্যন্ত দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর মতো সক্ষমতা সরকারের রয়েছে। বর্তমানে জুন ও জুলাই মাসের জ্বালানি মজুদ নিশ্চিত করতে কাজ চলমান রয়েছে।

ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফিলিং স্টেশনে গাড়ির লম্বা সারি মানেই তেলের ঘাটতি নয়। এটি দিয়ে তেলের প্রকৃত মজুদ বা ঘাটতি নির্ধারণ করা ঠিক হবে না।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।