প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৯৬০-এর দশকের বিশিষ্ট ছাত্রনেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, খ্যাতিমান সাংবাদিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারেক রহমান বলেন, মুজাহিদী আজীবন গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার মৃত্যু আমাদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর ১.৪০ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৩ বছর।
প্রেম, জীবন ও মৃত্তিকা আল মুজাহিদীর কবিতার মূল বিষয়। কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস, অনুবাদ ও শিশু-কিশোর মিলিয়ে তার গ্রন্থসংখ্যা প্রায় একশ’। সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক’ ‘জীবনানন্দ দাশ একাডেমি পুরস্কার’, ‘কবি জসীমউদ্দীন পুরস্কার’, ‘মাইকেল মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার’, ‘শেরে বাংলা সংসদ পুরস্কার’, ‘বাসাসপ কাব্যরত্ন পদকসহ বহু পুরস্কার পেয়েছেন।
দৈনিক ইত্তেফাকে তিনি দীর্ঘদিন সাহিত্য সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৪৩ সালের ১লা জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার নারুচি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।