বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বড়ো মাধ্যম শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘চীন-বাংলাদেশ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের সুনীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) গবেষণায় গতি আনতে কক্সবাজারে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রস্তাবিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথভাবে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করাই এখন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে একাডেমিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজারের সংযোগ ঘটাতে চায়নার দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায় সরকার।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে জোরদার করতে প্রবাসী আয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরির ওপর জোর দিয়ে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে কাজ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় চীনের উন্নত প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী।