রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রকল্পের প্লটসহ বিভিন্ন জমি আত্মসাতের চেষ্টা ও নথি গায়েবের অভিযোগে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গোল্ডেন মনিরসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক মো. শফিউল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ শফিউল্লাহ আদনান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- রাজউকের অফিস সহায়ক (সাময়িক বরখাস্ত) মো. পারভেজ চৌধুরী (৪১), মো. মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনির (৫৩), মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ (৪৯), মো. নাসির উদ্দিন খান (৪৯), রাউকের সহকারী পরিচালক অব. (এস্টেট ও ভূমি-১) মো. নাসির উদ্দিন শরীফ (৬২), রাজউকের উপ পরিচালক মো. দিদারুল আলম, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর (এস্টেট ও ভূমি-১) মো. আনোয়ার হোসেন (৪৬), ঊর্ধ্বতন হিসাব সহকারী (নিরীক্ষা ও বাজেট শাখা) এসএম তৌহিদুল ইসলাম (৪১), কার্য তদন্তকারী মান-১ (এস্টেট ও ভূমি-১) মো. আলাউদ্দিন সরকার (৪৩)।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চক্রটি যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে গত ২০১৭ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অফিস থেকে নিয়ম অনুযায়ী নথি নিলেও রেজিস্টারে এন্ট্রি করেনি। এমনকি কাজ শেষে ওই সরকারি নথিগুলো রেকর্ডরুমে না পাঠিয়ে কৌশলে সরিয়ে ও বিভিন্ন কর্মকর্তার সিল অবৈধভাবে তৈরি করে ভুয়া নথি সৃষ্টি ও লিজ দলিল করে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা করে।
আরও পড়ুন: কোটি টাকার জাল নোট জব্দ, লক্ষ্য ছিল বাণিজ্যমেলা
মামলার এজাহারে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৫ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতেই রাজউকের তৎকালীন চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদের নেতৃত্বে রাজউক এনেক্স ভবনের ৫ম তলার এ-৫১৪ নম্বর কক্ষে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে ৭০টি প্লটের নথি, একটি ল্যাপটপ, রাজউকের বিভিন্ন কর্মকর্তার ১৫টি সিলসহ স্ট্যাম্প প্যাড, ১৭০টি কর্পোরেশনের বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র, ডিমান্ড কালেকশন রেজিস্ট্রার (ডিসিআর) বই একটি ও চারটি লিজ ডিডের কপিসহ বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে মতিঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়।
একাত্তর/এসি