‘মোস্ট সাস্টেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার জিতলো ইউনিলিভার বাংলাদেশ

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম

এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড। মর্যাদাপূর্ণ এই আয়োজনে তিনটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হওয়ার পাশাপাশি আরও দুটি ক্যাটাগরিতে সম্মানজনক স্বীকৃতি পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মাধ্যমে ইউনিলিভার বাংলাদেশ মোট পাঁচটি সম্মাননা অর্জন করলো।

প্রতিষ্ঠানটি একই সঙ্গে ‘মোস্ট সাস্টেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার’ এবং ‘মোস্ট সাস্টেইনেবল এফএমসিজি কোম্পানি অব দ্য ইয়ার’ খেতাব অর্জন করেছে। পাশাপাশি, নিজেদের ‘সহযাত্রা: কো-ক্রিয়েটিং ইম্প্যাক্ট’ উদ্যোগের জন্য ‘সাস্টেইনেবল পার্টনারশিপস অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনস’ ক্যাটাগরিতে এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার জিতেছে ইউনিলিভার।

মূল বিজয়ী ক্যাটাগরিগুলোর বাইরেও নিজেদের পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক দুটি বিশেষ উদ্যোগের জন্য প্রশংসিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইন্ডাস্ট্রি, ইনোভেশন অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার: ‘স্মার্ট কাস্টমার লজিস্টিকস অ্যান্ড ট্রেড’ উদ্যোগের জন্য এই ক্যাটাগরিতে বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে ইউবিএল।

রেসপনসিবল কনজাম্পশন অ্যান্ড প্রোডাকশন: প্যাকেজিং ব্যবস্থার টেকসই পরিবর্তনের লক্ষ্যে গৃহীত ‘ইউ-রিফিল ২.০ অ্যান্ড রিইঞ্জিনিয়ারিং প্যাকেজিং’ উদ্যোগের জন্য এই ক্যাটাগরিতে সম্মানজনক স্বীকৃতি অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি।

রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইউনিলিভার বাংলাদেশের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানটির হিউম্যান রিসোর্সেস ডিরেক্টর সৈয়দা দূরদানা কবির এবং কাস্টমার বিজনেস ডেভেলপমেন্ট হেড শাদমান সাদিকিন।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই স্বীকৃতিগুলো বাংলাদেশে টেকসই ব্যবসায়িক চর্চা, নতুন উদ্ভাবন এবং কার্যকর যৌথ অংশীদারত্বের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন তৈরিতে ইউনিলিভার বাংলাদেশের ধারাবাহিক অঙ্গীকারেরই এক বাস্তব প্রতিফলন।

একাত্তর/এসি
শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন মহাঅষ্টমীতে দেবী দুর্গার জীবন্ত প্রতীক হিসেবে এক কুমারী শিশুকে আরাধনা করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
সৌদি আরবে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি নুরুল হকের পরিবার সরকারের কূটনৈতিক সহায়তায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ক্ষতিপূরণের অর্থ বুঝে পেয়েছে। প্রাপ্ত এই সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানাতে নিহতের স্বজনেরা আজ...
বরগুনার বেতাগীতে কিশোর গ্যাং, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, অবৈধ দখলবাজি এবং ছড়িয়ে পড়া অনলাইন জুয়া চিরতরে নির্মূল করতে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) দুই মাসের (৬০ দিন) সময়সীমা বেঁধে...
কেউ যদি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তবে সে বিষয়ে আইন ও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, এখানে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর