জায়েদ-নিপুণের পদ নিয়ে স্থিতাবস্থা কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে স্থিতাবস্থার আদেশ নিপুণ আক্তার ও জায়েদ খানকে কঠোরভাবে পালন করতে বলেছেন আপিল বিভাগ। 

সোমবার (১৪ মার্চ) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

আদালতে জায়েদ খানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। নিপুণের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ।

আদেশের পর জায়েদ খানের আইনজীবী আহসানুল করিম দাবি করেন, আপিল বিভাগের আদেশের ফলে জায়েদ খান সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসতে পারবেন।

অন্যদিকে, নিপুণের আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, নিপুণ সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসে আছেন। তিনিই বসবেন।

এর আগে গত ৮ মার্চ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে স্থিতাবস্থার আদেশের পরও সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসায় নিপুণ আক্তারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করেন জায়েদ খান। 

তার আগে, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বৈধ বলে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করা হয়। 

গত ৩ মার্চ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বৈধ বলে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন নিপুণ।

এরপর ২ মার্চ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্ট এ রায় দেন।

আরও পড়ুন: ঢাকায় নেচে গেয়ে চলে গেলেন মিমি-নুসরাত ও সানিরা

এ ছাড়া গত ৭ ফেব্রুয়ারি জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের দেয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া এ বিষয়ে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চিঠির কার্যকারিতাও স্থগিত করা হয়। 

একইসঙ্গে প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত  কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। চিত্রনায়ক জায়েদ খানের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন। 

এ আদেশের বিষয়ে আপিল বিভাগ যান নিপুণ। পরে আপিল বিভাগের দেয়া আদেশ অনুযায়ী হাইকোর্টে রুলটি নিষ্পত্তি হয়েছে।


একাত্তর/এসজে