মেঘনা নদী থেকে বালু তুলতে পারবেন না সেলিম খান

চাঁদপুরের ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খান মেঘনা নদী থেকে বালু তুলতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

রোববার (২৯ মে) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান। সেলিম খানের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি।

এর আগে সেলিম খানকে মেঘনার ডুবোচর থেকে বালু তোলার অনুমতি দিয়ে হাইকোর্ট রায় দিয়েছিলেন। 

উল্লেখ্য, সেলিম খান চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

২০১৫ সালে মেঘনা নদীর চাঁদপুর ও হাইমচর উপজেলায় অবস্থিত ২১টি মৌজায় জনস্বার্থে নিজ খরচে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ করতে নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন সেলিম খান। 

তার রিটের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় চার বছর আগে ২০১৮ সালের এপ্রিলে চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার ২১টি মৌজায় মেঘনার ডুবোচর থেকে ৩০ কোটি ৪৮ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলনের অনুমতি দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। 

আরও পড়ুন: দুই বছর বন্ধ থাকার পর খুলনা-কলকাতা বন্ধন এক্সপ্রেস চালু

এরপর চলতি বছরের ১৫ মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিল করেন। এসময় এক হাজার ৪৪০ দিন দেরিতে লিভ টু আপিল করায় বিলম্ব মার্জনাও চাওয়া হয়। 

দিকে বালু উত্তোলনের অনুমতি চেম্বার আদালতে স্থগিত হওয়ার পর আবারও অনুমতি চেয়ে ২৩ মে সেলিম খান আরেকটি আবেদন করেন। দুদিন শুনানি শেষে তা খারিজ করে রোববার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে বালু উত্তোলনের অনুমতি বাতিলের বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারিত হয়।


একাত্তর/এসজে