যাত্রী সংকটের কারণে রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে কোন স্পিডবোট টঙ্গী নৌবন্দর থেকে ছেড়ে যায়নি। অলস পড়ে আছে স্পিডবোটগুলো। কর্মীরাও কাটাচ্ছেন অলস সময়।
টঙ্গী থেকে দুটি রুট চালু করা হলেও প্রথম দিনেই হতাশা ছড়িয়েছে এই সেবা। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রচার বাড়লে যাত্রী মিলবে। এর জন্য আরও সময় লাগবে।
মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে অলস পড়ে থাকা দ্রুতগামী যান স্পিডবোটগুলো কাজে লাগাতে আনা হয়েছে টঙ্গী নৌবন্দরে। ঢাকার চারপাশে বৃত্তাকার নৌপথই হবে স্পিডবোটের নতুন ঠিকানা।
প্রাথমিকভাবে চালু করা হয়েছে দুটি রুটে। যার একটি চলবে আব্দুল্লাহপুর কাশিমপুর হয়ে কড্ডা পর্যন্ত। নৌপথটির দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। ১৫০ টাকায় ৩০ মিনিটে পৌঁছে যাবে গন্তব্যে।
আরেকটি রুট করা হয়েছে টঙ্গী থেকে উলুখোলা পর্যন্ত।। যার ভাড়া ১২০ টাকা। এটিও অত্যন্ত কম সময়ে যাত্রীদের নিয়ে যাবে নির্ধারিত গন্তব্যে।
দুটি রুটে শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) চালু করা হয় স্পিডবোট সার্ভিস। উদ্বোধনের দ্বিতীয় দিনেও কোন যাত্রী পায়নি বোটগুলো। সকাল থেকে যাত্রীর অভাবে টঙ্গী নৌবন্দর ঘাটে অলসভাবে পড়ে ছিলো।
শুয়ে বসে সময় পাড় করেছে স্পিডবোটের চালক ও হেলপাররাও। বলছেন, দুই দিনে কোন যাত্রী মিলেনি। তবে আশা ছেড়ে দেননি তারা।
একটি স্পিডবোট ১৪ জন যাত্রী ধারণ করতে পারবে। দু’একজন যারা যেতে চাইছেন শতভাগ যাত্রী না থাকায় তারাও যেতে পারছেন না।
এই দুটি নৌরুটে যাত্রী চাপ কেমন, নৌরুটটি চলবে কিনা তার কোন যাচাই-বাছাই হয়নি। এর আগে চালু হওয়া ওয়াটার বাসও বন্ধ হয়ে গেছে যাত্রী সংকটে।
আরও পড়ুন: চাঁদা বাণিজ্য থেকে ফুটপাতকে মুক্ত করার পরামর্শ
লোকসান গুণতে হয়েছে শতকোটি টাকা। নতুন এই রুটটি নিয়েও খুব বেশি আশা জাগাচ্ছে না। টঙ্গী নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রচার বাড়লে যাত্রী মিলবে।।
যাত্রীদের সেবা দিতে গিয়ে ওয়াটার বাস ব্যর্থ হয়েছে, কিন্তু দ্রুতগামী স্পিডবোট কি সেখানে সফল হতে পারবে কিনা, তা দেখার জন্য আরও কয়েকটি দিন অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।
একাত্তর/এসজে