আদি বুড়িগঙ্গার পাড় থেকে সরে যাচ্ছে দখলদাররা

ঢাকা দক্ষিণ সিটির নির্দেশ মেনে সরে যেতে শুরু করেছে আদি বুড়িগঙ্গা পাড়ের দখলদাররা। ডিএসসিসি বলছে, হাইকোর্টের নির্দেশনা মতো দখলমুক্ত করা হবে আদি বুড়িগঙ্গা।

যদিও দখল ছাড়তে রাজি নন শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। তাদের দাবি, তারা নদীর জায়গা দখল করেননি, তাই প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেবেন তারা।

আদি বুড়িগঙ্গার প্রকৃত সীমানা নিয়েই আছে জটিলতা। এটির দৈর্ঘ্য বা প্রস্থ আসলে কতো তার নির্দিষ্ট কোন হিসাব নেই।

১৯৮৫ সালের স্যাটেলাইট মানচিত্রে দেখা যায় তখন সেখানে কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান বা বসতবাড়ি কিছুই ছিলো না।

আবার ২০০৩ সালের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যায় বুড়িগঙ্গা ভরাট করে গড়ে উঠে ম্যাটাডোর কোম্পানি।

পরের বছর ২০০৪ সালের ছবিতে দেখা যায় পান্না গ্রুপের নদী ভরাটের চিত্র। সিটি কর্পোরেশনের নির্দেশমতো আপাতত তারা দখল ছাড়লেও, তাদের দাবি এখানে কোন নদী ছিলো না।

ভরা বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি যত দূর প্রবাহিত হবে ঠিক সেভাবেই নদীর জায়গা দখল মুক্ত করতে হবে।

হাইকোর্টের এমন নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে কিনা তা জানতে চাইলে তার সদুত্তর দেননি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা।

আদি বুড়িগঙ্গার পাড় থেকে মাত্র ত্রিশ ফুট জায়গাকে নদীর সীমানা হিসেবে চিহ্নিত করেছে সিটি কর্পোরেশন ও জেলা প্রশাসন।

কিন্তু নদী গবেষক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, স্যাটেলাইটের মানচিত্র বলছে নদীর সীমানা মূলত আরো বিস্তৃত। যা বিভিন্ন সময়ে অবৈধ দখল হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশেষ ক্যাটাগরিতে ভিসা ছাড় দেবে কসোভো

কামরাঙ্গীরচরের লোহারপুল ব্রিজ থেকে কালুরঘাট পর্যন্ত দুই হাজার সাতশ’ মিটারকে আদি বুড়িগঙ্গার সীমানা ধরে সেই অনুযায়ী দখলমুক্ত করছে সিটি কর্পোরেশন।


একাত্তর/আরএ