সিলেট-৬ আসনের নির্বাচনী চিত্র

প্রবাসীদের এলাকায় লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি

শিক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যপক উন্নয়ন হলেও কর্মসংস্থান না হওয়া নিয়ে বিস্তর অভিযোগ সিলেট-৬ আসনের ভোটারদের। বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান সিলেটে এই আসনের সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে।

এবার তিনি ছাড়াও এখানে একাধিক প্রাবাসী আওয়ামী লীগ নেতা নির্বাচনে আগ্রহ জানিয়েছেন। বিএনপিও জামায়াতের আলাদা শক্ত প্রার্থী আছেন। এরই মধ্যে একজন জাতীয় পার্টি নেতাওআসনটি পুনরুদ্ধারের ঘোষণা দিয়েছেন।

এই অঞ্চলে ঢুকতে হলে সবাইকে পার হতে হবে সাদাখাল ব্রিজ। ব্রিজের সৌর্ন্দয দেখতে সবারই একবার হলেও দাড়িয়ে যেতে ইচ্ছা করবে এই ব্রিজের উপর।

এই অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ নানা পেশায় নিজেকে যুক্ত রাখতে পছন্দ করলেও কলেজের গন্ডি পার হলেই বেশিরভাগ মানুষই প্রবাসী হতে আগ্রহী। কারন হিসেবে তারা বলছেন, এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হলেও কাজ করার সুযোগ তেমনটা নেই এই এলাকায়।

এই অঞ্চলের মানুষকে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটে পড়তে হয় না বললেই চলে। কারণ বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ড থেকে গ্যাস গোটা এলাকাতে বিতরণের ফলে রান্নায় গ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছেন এলাকাবাসী। কিন্তু তারপরও এই এলাকায় উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এদিকে আসছে সংসদ নির্বাচনে আছে নানামুখী সমীকরণ। ক্ষমতাসীন দলের জনপ্রতিনিধি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এই সুযোগকে এবার কাজে লাগাতে চায় বিরোধী দলসহ নিজ দলের নেতাকর্মীরাও।

দিনে দিনে সিলেটের এই নির্বাচনী আসনে বেড়েই চলেছে প্রবাসী প্রার্থীদের সংখ্যা। তাদেরকেও সাদরে বরণ করছেন সিলেটের মানুষ। নেতা হিসেবেও তাদের কাছ থেকে পাচ্ছেন সমাদর। বিশেষ করে ঘুষ, দুর্নীতির অভিযোগ নেই প্রবাসী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে।

সিলেট-৬ আসনে ২০০৮ সাল থেকে নৌকার টিকিট চাচ্ছেন কানাডা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সরওয়ার হোসেন। বিগত ১৫ বছর ধরে এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। গ্রহণযোগ্যতাও বেড়েছে তার। ক’দিন আগে সিলেটে নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন

তবে রাজনীতির মাঠে জয় পরাজয় যাই হোক না কেনো এলাকার উন্নয়ন করে মানুষের জীবনকে আরো সহজ করবে যারা তাদেরকেই এগিয়ে রাখবেন এই আসনের মানুষ।




একাত্তর/কেএসএইচ