গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ নেই। কোনও বিদেশি শক্তি নির্ভর আন্দোলন গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে সফলতা লাভ করে না বলে মনে করেন বক্তারা।
বৃহস্পতিবার ক্যাম্পেইন এডভোকেসি প্রোগ্রাম (ক্যাপ) এর তত্ত্বাবধায়নে ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নির্বাচনের বিকল্প কি?’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন আলোচকরা।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সায়েদুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী এস এম খসরুল আলম কুদ্দুসী এবং দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়া।
আলোচনায় অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, ৭ জানুয়ারি যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের উপর আস্থা রেখেই প্রায় ৩০০ আসনের মধ্য প্রায় দুই হাজার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার মানে নির্বাচনটি ব্যাপক অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর হচ্ছে।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সায়েদুর রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক কাঠামোয় নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। এই কথাটি বিএনপি যত তাড়াতাড়ি বুঝবে তা ততোই ভালো।
অধ্যাপক ড. কাজী এস এম খসরুল আলম কুদ্দুসী বলেন, নির্বাচনটি যে খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের যে আবহ তৈরি করা হয়েছে তাতে ভোটাররা অশ্বত্ব হয়েছে।
সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়া বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিএনপি অংশগ্রহণ না করে নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোন বিদেশি শক্তি নির্ভর আন্দোলন গণতান্ত্রিক কাঠামোয় সফলতা লাভ করে না।
সেমিনারটিতে আরও বলা হয়, নির্বাচন ছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ক্ষমতায় যাওয়ার আর অন্য কোনো উপায় নাই।