কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ডিএসসিসি-র নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বসা পশুর হাটের বর্জ্য এবং কোবরানির পর সৃষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। পাশাপাশি ডিএসসিসি-র আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সরেজমিন মাঠ পর্যায়ে তদারকির জন্য ১০টি টিম গঠন করা হয়েছে। ২১ জুলাই দুপুর ২টা হতে ২৪ জুলাই দুপুর ২টা পর্যন্ত এই টিমগুলো কাজ করবে। 

সোমবার (১৯ জুলাই) ডিএসসিসি-র পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করপোরেশনের শীতলক্ষ্যা হলে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সচিত্র তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে স্থাপন করা হয়েছে। করপোরেশনের আওতাধীন যেকোনো নাগরিক তার নিজ এলাকায় সৃষ্ট বর্জ্য সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ বা পশুর বর্জ্য অপসারণ সম্পর্কিত সুরাহার জন্য কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ০১৭০৯৯০০৮৮৮ নম্বরে ফোন করে জানাতে পারবেন। 

মাঠ পর্যায়ে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকি করতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে করপোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ তিন শিফটে ১৮ জুলাই দুপুর ২টা হতে ২৪ জুলাই দুপুর ২টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানানো হয় এতে। 

আরও পড়ুন: ওয়ারিশবিহীন বৃদ্ধার লাশ দাফনের দায়িত্ব নিল ছাত্রলীগ

ডিএসসিসি আরও জানায়, বর্জ্য অপসারণে ৯০টি খোলা ট্রাক, ৫৩টি কম্পেক্টর, ১২টি পানির গাড়ি, ১০২টি ডাম্প ট্রাক, ১৪টি পে-লোডার, ৮১টি কন্টেইনার ক্যারিয়ার, ৯টি টায়ার ডোজার, ২টি ট্রেইলার, ৯টি স্কিড লোডারসহ প্রায় পৌনে ৪০০ যান-যন্ত্রপাতি মাঠ পর্যায়ে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে নিযুক্ত থাকবে। 

এছাড়া, নিয়মিত ৫ হাজার কর্মীর পাশাপাশি অস্থায়ী ভিত্তিতে অতিরিক্ত আরো ৫ হাজার কর্মী কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে নিযুক্ত থাকবে। পরিবেশ সুরক্ষা ও দূষণমুক্ত রাখার লক্ষ্যে প্রায় ৩০ টন ব্লিচিং পাউডার ও ১ হাজার ৮০০ লিটার তরল জীবাণুনাশক ছিটানো হবে। 

পাশাপাশি, ঈদ উপলক্ষে ইতিমধ্যে ডিএসসিসি-র অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেক কাউন্সিলরকে ১ হাজার এবং আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদেরকে ১ হাজার ৫০০টি পরিবেশবান্ধব থলে প্রদান করা হয়েছে। এসব থলে যারা কোরবানি করবেন তাদের মাঝে বিতরণ করা হবে। কোরবানির পশুর বর্জ্য সেসব থলের মধ্যে ভরে তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করপোরেশনের নির্ধারিত ব্যক্তিবর্গের কাছে হস্তান্তর করবেন। 


একাত্তর/আরএইচ