রিজেন্সিতে মেলা আর বাঙালি ভোজের বর্ণিল বৈশাখী উৎসব

আর মাত্র দিন দুয়েকের অপেক্ষা। এরপরই বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন- পহেলা বৈশাখ, বাঙালির প্রাণের উৎসব।  বাঙালির সর্বজনীন লোকউৎসবও বটে। এদিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে। কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক হলো নববর্ষ।

দিনটিকে আরও আনন্দময় করে তুলতে অন্যান্যবারের মতো এবারও নগরীর অন্যতম পাঁচ তারকা হোটেল ও রিসোর্টে ঢাকা রিজেন্সিতে অতিথিদের জন্য থাকছে সুস্বাদু বাঙালি খাবারের বিশাল সমারহের সাথে বর্ণিল বৈশাখী উৎসবের আয়োজন ও বৈশাখী মেলা। বাঙালি ঐতিহ্যের পরশ খুঁজতে চাইলে, সবার আগে চোখে ভেসে ওঠে ঢাকা রিজেন্সির নাম- বাংলার ঐতিহ্যের ছোঁয়া সেখানে জীবন্ত হয়ে ওঠে।  

১৪ এপ্রিল সকাল থেকেই অতিথিদের জন্য দিনটি শুরু হবে রঙ-রসে বিভিন্ন বাঙালি ঘরনার ও ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে ভরপুর বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে । এরপর পর্যায়ক্রমে থাকবে সকাল ১০টা থেকে শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ফেস পেইন্ট ও বাউল  গানের আসর ।

স্পেশাল মূল্যে থাকছে দুপুর ১২ টা থেকে ৩টা পর্যন্ত বৈশাখী পান্তা-ইলিশ, ভর্তা ও  মিষ্টান্ন, দেশীয় ঐতিহ্যবাহী বাঙালি এবং আন্তর্জাতিক মুখরোচক খাবারে সাজানো লাঞ্চ বুফে।  একই সাথে চলবে  জাঁকজমক জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী গানের আয়োজন চলবে একদম রাত ৯ টা পর্যন্ত!  আর সাথে বাঙালি ব্যুফে ডিনার তো থাকছেই।

বাড়তি আকর্ষণে থাকছে সিলেক্টেড কার্ড, ঢাকা রিজেন্সি প্রিমিয়ার ক্লাব মেম্বার, ফ্যান অফ ঢাকা রিজেন্সি গ্রুপ মেম্বারদের জন্য বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি অফার। ।দিনভর চলবে হাতের মেহেদি, চুরির মেলা এবং রঙিন ফটো বুথ, জোকার , হাওয়াই মিঠাই , বায়স্কোপসহ  আরও কত কি!

ঢাকা রিজেন্সির নির্বাহী পরিচালক এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহিদ হামিদ বলেন, আমাদের এই আয়োজন শুধুমাত্র আনন্দ বিনোদনের জন্য নয়, বরং বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে স্মরণ করার একটি প্রয়াস। আমাদের লক্ষ্য হলো পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের নিয়ে একত্রে এই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া।