ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স বিষয়ক উৎসব ‘ম্যাটেরিয়াল ফেস্ট ১.০’। ম্যাটেরিয়াল রিসার্চ সোসাইটি স্টুডেন্টস চ্যাপ্টার-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে এবং সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ স্টাডি অ্যান্ড রিসোর্স ইউটিলাইজেশনের সহায়তায় আগামী ৩০ আগস্ট এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাগত উৎকর্ষতা প্রচার এবং গবেষণামূলক সহযোগিতা গড়ে তুলতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
উৎসবটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের প্রফেসর মোজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত চলবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। এছাড়া উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য শিক্ষকমণ্ডলী।
উৎসবে থাকছে বৈচিত্র্যময় ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- তিন মিনিট থিসিস: শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণা সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করবেন।
- পোস্টার প্রেজেন্টেশন: গবেষণা পোস্টার প্রদর্শনের মাধ্যমে জ্ঞান বিনিময়।
- ভিডিও কম্পিটিশন: সৃজনশীল ভিডিওর মাধ্যমে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সের উদ্ভাবনী দিক তুলে ধরা।
- ফেইলিউর বাই ডিজাইন - ক্র্যাক দ্য কোড: ম্যাটেরিয়াল ফরেনসিক চ্যালেঞ্জ।
- ফল্ট ইন আওয়ার ড্রাফটস: পিয়ার রিভিউ চ্যালেঞ্জ।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের পেশাগত দিকনির্দেশনার জন্য থাকছে বিশেষ আয়োজন ‘ক্যারিয়ার টক’। প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী পাবেন সার্টিফিকেট এবং বিজয়ীদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার।
এই উৎসবে দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের প্রায় ২০০-২৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। এছাড়া ২০টির বেশি ক্লাব ও সোসাইটি এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। আয়োজনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.এফ.এম মুস্তাফিজুর রহমান এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে আছেন একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মো. সামিউল আলীম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য শিক্ষার্থী এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
‘ম্যাটেরিয়াল ফেস্ট ১.০’ শিক্ষার্থীদের বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকশিত করার পাশাপাশি নেটওয়ার্কিং, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আত্মবিশ্বাস সঞ্চারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের নতুন উদ্ভাবন এবং বিজ্ঞানমনস্ক দৃষ্টিভঙ্গির পথে অনুপ্রাণিত করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই ভিন্নধর্মী উৎসবে অংশ নিতে এবং ঘুরে দেখতে আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
খবর বিজ্ঞপ্তির।