জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং দফায় দফায় গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানোয় সাধারণ মানুষ না খেয়ে মরার পর্যায়ে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলস্থ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য তরিকুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, সরকার যে উন্নয়নের কথা বলে, উন্নয়ন-মেগা প্রজেক্ট, সবকিছুর মূলে হচ্ছে ঋণ নিয়ে বাংলাদেশকে ঋণগ্রস্ত করে ফেলা। বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে একটা হাঁটু ভেঙে দেওয়া জাতিতে পরিণত করা। চতুর্দিকে তাকিয়ে দেখেন, দুর্নীতি-চুরি ছাড়া আর কিছু নেই।
তিনি বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে একটা অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য কাজ করছে। তারা একটি নতজানু রাষ্ট্র বানাচ্ছে। যেটি অন্যের ওপর নির্ভরশীল হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজ আসার সময় পথে দেখলাম বাস চলছে না, মানুষ হাঁটছে, মোটরসাইকেল চলছে। কারণটা কি আপনারা সবাই জানেন।ডিজেল-কেরোসিন এলপিজির দাম হঠাৎ করে ১৫ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে। মানুষ যাবে কোথায়? একদিকে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে হু হু করে অন্যদিকে এখন আবার জালানির দাম বাড়িয়ে দিল। ফলে কি হবে, জিনিসপত্রের দাম আরো দ্বিগুণ বাড়বে। সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে। তাদের তো এখন না খেয়ে অপুষ্টিতে ভুগে মৃত্যুবরণ করার অবস্থা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী তেলের দাম বৃদ্ধিতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম প্রমুখ।
একাত্তর/আরএ