স্বাধীনতার পর জাতির পিতার হাত ধরেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পুনর্গঠন শুরু হয়। তাঁর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সম্প্রসারণে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ রবিবার (২০ জুন), সাভারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে টাইগার মাল্টিপল লঞ্চ রকেট/মিসাইল সিস্টেম এর অন্তর্ভুক্তিকরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু প্রণীত 'প্রতিরক্ষা নীতি -১৯৭৪' এর ভিত্তিতে বর্তমান সরকার নতুন করে 'প্রতিরক্ষা নীতি ২০১৮' এবং 'ফোর্সেস গোল - ২০৩০' প্রণয়ন করে, যার বাস্তবায়ন অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আধুনিক ও উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমান সরকার বিভিন্ন মেয়াদে সেনাবাহিনীতে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র, সেনা বিমান ও হেলিকপ্টারসহ মর্ডান ইনফ্যান্ট্রি গেজেট, বিভিন্ন আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং সরঞ্জামাদি সংযোজন করেছে।
তিনি আরও বলেন, অত্যাধুনিক টাইগার এমএলআরএস অন্তর্ভুক্তির কারণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ হলো। ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনীর এই আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশগঠন ও বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলায় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সেনাবাহিনীর আত্মত্যাগ ও অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করে। বিশেষ করে করোনা যুদ্ধ মোকাবেলায় দৃষ্টান্তমূলক অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সম্মুখ যোদ্ধাকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতৃভূমির অখণ্ডতা রক্ষায় এবং জাতির যেকোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ সেনা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একাত্তর/এনএ