জিয়া যে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছেন সেটা সত্য: ফখরুল

বহুদলীয় গণতন্ত্রের দর্শন নিয়ে জিয়া দেশের জনগণের সামনে আসেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জনগণকে ক্ষমতায়িত করাই ছিল জিয়ার সেই গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য। 

সোমবার গুলশানের হোটেল লেকশোরে বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, কাউকে ছোট করতে চাই না, কিন্তু জিয়া যে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছেন সেটা সত্য।

তিনি আরও বলেন, জিয়াকে ছোট করতে ইতিহাস বিকৃত করে নিজেদের নেতাকে মহিমান্বিত করতে পারবেনা আওয়ামী লীগ। যার যে সম্মান প্রাপ্য সেটা দিন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। তাকে অস্বীকার করে, ছোট করে অন্য কাউকে বড় করা সম্ভব নয়, অন্য কেউ মহিমান্বিত হবেন না।

সরকার যেনতেনভাবে ক্ষমতায় যেতে সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করেছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের দুঃশাসনের কারনে ভিসা নীতি এসেছে। মার্কিন ভিসা নীতি দেশের জন্য লজ্জার। আওয়ামীলীগের দুঃশাসন, দুর্বৃত্তায়ন, লুটের কারণেই এমন ব্যবস্থা।

আওয়ামী লীগকে সম্পূর্ন গনবিচ্ছিন্ন উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, জনগণের আশেপাশেও নেই আওয়ামী লীগ। যেকোন ভাবে ক্ষমতায় থাকতে সব প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে দলীয়করন করেছে আওয়ামী লীগ।

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা আরও দুই টার্ম থাকার কথা বলা হলেও বর্তমান সরকার তা বাতিল করে দেয়। সেই সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশে নির্বাচন অনিশ্চয়তায় চলে গেছে। প্রতিটি নির্বাচনের আগে প্রশ্ন উঠছে।’

তিনি আরও বলেন, এখন একটাই পথ, জনগণকে আবারো জাগিয়ে তুলতে হবে। অতীতে যেভাবে মুক্তিযুদ্ধের জন্য মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা হয়েছিল আজ আবার সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করতে হবে। সকলের স্বার্থে ত্যাগ স্বীকার করে যুদ্ধে জয়ী হতে হবে।


একাত্তর/এআর