সংসদে আইনমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিদেশে যাওয়ার জন্য তাদের নেত্রী খালেদা জিয়ার ‘অপরাধ স্বীকার’ করে ক্ষমা চাওয়ার ‘প্রশ্নই আসে না’।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলন বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স দলের এই প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন।
প্রিন্স বলেন বলেন, যিনি কোনো অপরাধই করেন নাই, তার ক্ষমা চাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারের হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটেছে, যা ভ্রষ্টাচার ছাড়া কিছুই নয়।
গতকাল বুধবার (৩০ জুন) সংসদ অধিবেশনে নতুন অর্থবছরের বাজেট পাসের আলোচনায় বিএনপির দুই সংসদ সদস্য তাদের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার দাবি তোলেন।
এর জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদন মঞ্জুর করে সরকার তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রেখে মুক্তি দিয়েছে। সেখানে বিদেশে না যাওয়ার শর্ত রয়েছে। এখন তা বদলানোর সুযোগ নেই।
আরও পড়ুন: অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলার সিদ্ধান্ত
আইনমন্ত্রী বলেন, কোনো সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে মুক্তি দিতে হলে সেটা আইনের মাধ্যমেই করতে হবে। এক্ষেত্রে উপায় হলো, তারা মহামান্য রাষ্ট্রপতির ক্ষমা চাইতে পারে বা ৪০১ ধারায় সরকারের কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন।
ক্ষমা চাইলে উনারা বিবেচনা করলে ক্ষমা করতে পারেন। আর সেই ক্ষমা চাইতে গেলে অবশ্যই দোষ স্বীকার করে চাইতে হবে।
এর প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা প্রিন্স বলেন, এগুলো তাদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ এবং রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ ও কলুষিত করার ব্যর্থ চেষ্টা বলে আমরা মনে করি। আমরা আইনমন্ত্রীর সংসদে প্রদত্ত বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
একাত্তর/এসি