খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে: আইনমন্ত্রী

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

আর বিদেশে নেয়ার আবেদন করা হলে তখন বিষয়টি দেখা হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। আইনমন্ত্রী শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

দুর্নীতির মামলায় সাজা পাওয়া খালেদা জিয়া বেশ কিছুদিন ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এর আগে স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় গত রোববার রাতে তাকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়েছিল। পরে আবার তাকে কেবিনে দেওয়া হয়।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা করানোর বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘তাদেরকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে। তখন স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাইতে পারে।’

তাকে বিদেশে নেয়ার অনুমতি দেয়া হবে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘পরে বিষয়টি দেখা যাবে। এখন কিছু বলা যাবে না।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতায় বেগম খালেদা জিয়া কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েও মুক্ত থেকে সুচিকিৎসা নিতে পারছেন বলেও মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের সাজা হয়। সেদিন থেকে কারাবন্দী হন তিনি। এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার আরও সাত বছরের সাজা হয়।

দেশে করোনাভাইরাস মহামারীর শুরুর দিকে ২০২০ সালের মার্চে নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। তখন থেকে তিনি গুলশানের বাড়িতে রয়েছেন।

তখন থেকে প্রতি ছয় মাস পরপর সরকার তাঁর সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।  

খালেদা জিয়া বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং বিদেশে যেতে পারবেন না এই দুই শর্তে চলতি বছরের ২৬ মার্চ তার মুক্তির মেয়াদ সপ্তম বারের মতো আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়, যা শেষ হবে রোববার।