বিএনপির মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করার পর থেকে নেতাকর্মীদের ঝড়ের গতিতে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তার দাবি, অব্যাহতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে যাচ্ছে পুলিশ। এমনকি গোয়েন্দা পুলিশ নেতাদের না পেয়ে বাসায় গিয়ে পরিবারের লোকজনকে হয়রানি করেছে।
শুক্রবার রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে গেলো চারদিন এক হাজার ৬৮০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নেতাকর্মীদের ট্রেন-বাস-লঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অস্ত্র উচিয়ে পাড়ায় পাড়ায় মিছিল করছে। পাড়ায় পাড়ায় চেয়ার নিয়ে বসে মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। বিএনপিকে ভয় দেখানোর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাইরে থেকে মানুষ আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকার প্রবেশমুখে তল্লাশির নামে হয়রানি করা হচ্ছে। মোবাইল চেক করে নেতাকর্মীদের আটক করা হয়েছে। সদরঘাটে নৌকা পারাপার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সরকার ভাবছে বাধা না দিলে এই উত্তাল তরঙ্গে তারা ভেসে যাবে। বিএনপি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির কথা বললেও সরকারের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে তারা ভয় পাচ্ছে।
এসময় কারো উসকানিতে কান না দিয়ে সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীদের নয়াপল্টন কার্যালয় থেকে বাড়িতে চলে যাওয়ার অনুরোধও জানান রিজভী।
এর আগে বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে তাদের পছন্দের জায়গায় সমাবেশের অনুমতি দেয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রাজধানীতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ২০টি শর্ত দিয়েছে ডিএমপি। তবে শাপলা চত্বরে জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।