জামিন চাইলেন মির্জা ফখরুল

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে ভাঙচুরের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় দায়ের করা মামলায় জামিনের আবেদন করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে তার জামিন আবেদন করা হয়।

মির্জা ফখরুলের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ এ জামিন আবেদন করেন। আগামী ২০ নভেম্বর মির্জা ফখরুলের জামিন শুনানি হবে।

রোববার রাতে ফখরুলকে ডিবি অফিস থেকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। এসময় তাকে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অন্যদিকে ফখরুলের জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট শফি উদ্দিন জামিন নামঞ্জুর করে ফখরুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রোববার সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে তার গুলশানের বাসা থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

শনিবার বিএনপির মহাসমাবেশ শুরুর আগে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করে বিএনপিকর্মীরা। গাছের ডাল ভেঙে ও হাতের লাঠি দিয়ে নামফলক, গেটে হামলা চালায়। বাসভবনের তারা ভেতরে ইট-পাটকেল ছোড়ে। এ ঘটনায় মির্জা ফখরুলসহ ৫৯ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

ফখরুল ছাড়াও এ মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক।