টিকে গেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিক আব্দুল্লাহ

বরিশাল-৫ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম সাদিক আব্দুল্লাহর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

রোববার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র স্থগিত করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। অভিযোগ উঠেছিলো- সাদিক আব্দুল্লাহ তার স্ত্রীর নামে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ির কথা হলফনামায় গোপন করেছেন। তবে যাচাই-বাছাইয়ে শেষ পর্যন্ত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সাদিক আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে সংসদীয় নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েও পাননি সাদিক আবদুল্লাহ। পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য ফারুক শামীমকে বরিশাল-৫ আসনে  প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ।

পরে বরিশাল-৫ (সদর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

সাদিকের বাবা বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বরিশাল-১ আসনের দলীয় প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই। সাদিক আব্দুল্লাহ ২০১৮ সালে বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী হন। তবে ২০২৩ সালে দলীয় মনোনয়ন চেয়েও পাননি তিনি।

তার বদলে মনোনয়ন দেওয়া হয় সাদিকের ছোট চাচা আবুল খায়ের আব্দুল্লাহকে (খোকন সেরনিয়াবাত)। তিনি নির্বাচিতও হয়েছেন। এরপর চাচা-ভাতিজার দ্বন্দ্ব নিয়ে সারা দেশে আলোচনা তৈরি হয়। ওই নির্বাচনে জাহিদ ফারুকের অনুসারীরা সার্বক্ষণিক আবুল খায়ের আবদুল্লাহর পাশে ছিলেন।

১৪ নভেম্বর বরিশালের মেয়রের দায়িত্ব নেন আবুল খায়ের আবদুল্লাহ।