স্বতন্ত্রদের নিয়ে আওয়ামী লীগের অবস্থান স্পষ্ট: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিষয়ে আওয়ামী লীগের অবস্থান খুব স্পষ্ট। তারা নিবার্চনে আছে। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শরিকদের দ্বিমত থাকতে পারে। তবে বল প্রয়োগ না করে তাদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে। 

মঙ্গলবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা আওয়ামী লীগও করবে শরীকরাও করবে। নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার সুযোগ নেই। জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনা চলছে, চলবে।  

ভোটে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে তিনি বলেন, ইসি জানিয়েছে নির্বাচনে সেনাবাহিনী কত দিন থাকবে। আমরা সেনাবাহিনীকে সব বিষয়ে বিতর্কীত করার বিরুদ্ধে। সেনাবাহিনী যদি সংবিধান অনুযায়ী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করে, তাতে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে কিছু লোক আছে যাদের হা-হুতাশ করাই কাজ।বাংলাদেশের অর্জন আজকে আমাদের অহঙ্কার। আমাদের দেশে কিছু লোক আছে যারা দেশকে নিয়ে অহঙ্কার করতে জানে না। বিদেশেদের কাছে দেশ নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগে। 

বিএনপি জামায়াত মানেই দেশের ক্ষতি মন্তব্য করে তিনি বলেন, সহিংসতা, সন্ত্রাস, আগুন সন্ত্রাস করে ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে সহিংসতা করে সাত জানুয়ারির নির্বাচন বন্ধ রাখা যাবে না।

এর আগে ২৬ নভেম্বর গণভবনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের উদ্দেশে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ পাশ করে আসতে পারবেন না। দলীয় প্রতীকের প্রার্থীর পাশাপাশি দলের যে কোনো নেতা বা ব্যক্তি স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারবেন। কারণ নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক করতে হবে।

অপরদিকে সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের যৌথসভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিযোগিতা করবেন। নৌকার সাথে ‘মল্লযুদ্ধ’ করা যাবে না।

তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আপনাদের নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নৌকার সাথে মল্লযুদ্ধ করা যাবে না। প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিযোগিতা করবেন। সন্ত্রাসকে উৎসাহিত করে এমন কাজ করলে ছাড় দেয়া হবে না।