উপজেলা নির্বাচনে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের স্বজনদের সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে দলীয় নির্দেশ অমান্য করলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বুধবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সবার কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করার পরেই দল থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইসির আনুষ্ঠানিকভাবে দেয়া সময়সীমার পর কেউ চাইলে নির্বাচন থেকে সরে যেতে পারবেন।
আর কারা সরছেন বা নির্বাচনে থেকে যাচ্ছেন তা দেখার জন্য ভোটের আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।
উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপির স্বজনদের প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ আগেই দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
তবে দলের এ সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়েও ৩৩টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে স্থানীয় এমপিদের প্রায় অর্ধশত প্রার্থী আছে।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাংগীর আলম বলেন, নেতার বাইরে স্বজনদের নির্বাচনে অংশ না নেয়ার নির্দেশ আওয়ামী লীগের দলীয় সিদ্ধান্ত, এটা আইন নয়।
‘তাই যে কেউ নির্বাচনে আসতে পারে এবং এটা আইনের সাথে সাংঘর্ষিক নয় বলে মনে করে কমিশন,’ বলেন কমিশনের এই কর্মকর্তা।
এদিকে এবারের উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না দিয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।
বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ সবসময় আছে। এই প্রক্রিয়ায় নানা ধরনের রণকৌশল নিতে হয়।
‘নানা দ্বন্দ্ব তৈরি হলেও, শেষ পর্যন্ত মেরুদণ্ড সোজা করে রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ,’ যোগ করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক।