সাংবাদিক মারধরে আওয়ামী লীগ নেতা আসাদকে শোকজের নির্দেশ

পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় দৈনিক যুগান্তরের সাংবাদিক রফিকুল ইসলামকে মারধরের ঘটনায় রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল আসাদ রাসেলকে শোকজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার এ নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

এ সময় সাংবাদিকরা রফিকুল ইসলামকে মারধরের বিষয়টি নজরে আনলে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। সেইসঙ্গে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে অভিযুক্ত মাহমুদুল আসাদ রাসেলকে শোকজ করতে নির্দেশ দেন ক্ষমতাসীন দলটির সাধারণ সম্পাদক।

এ ছাড়া মাহমুদুল আসাদকে এখন থেকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং ধানমন্ডিতে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রবেশ করতে না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, এর আগেও তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে, সে আমার নাম ব্যবহার করেও নাকি অর্পকর্ম করছে।

এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি এবং আওয়ামী লীগ বিটের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার রাজধানীর ধানন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহের কাজে ছিলেন যুগান্তরের সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম। তখন তার ওপর অতর্কিত হামলা করেন মাহমুদুল আসাদ রাসেল ও তার অনুসারীরা। রফিকুলকে কিল-ঘুষি মারার এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের দুই জন কেন্দ্রীয় নেতা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা সরে পড়েন। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকরা হামলার প্রতিবাদ জানান।