গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলার রায় আসছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানীর পূর্বাচলে ৩০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, তার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় দেয়া হবে সোমবার (১ ডিসেম্বর)। এর আগে একই অভিযোগে তিন মামলার রায় দেয়া হয়েছিলো।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ-৪ এর বিচারক রবিউল আলম সোমবার সকালে রায় ঘোষণা করবেন।
দুদকের আইনজীবী মীর আহম্মেদ সালাম শেখ হাসিনাসহ ১৭ আসামির সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত পাঁচই আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর গত ডিসেম্বরে তাদের বিরুদ্ধে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা করে ছয়টি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। মোট ৬০ কাঠার প্লট।
এরপর এ বছরের ১২ জানুয়ারি প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগে পুতুলের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা করে দুদক। পরদিন শেখ রেহানা ও তার ছেলেমেয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে সংস্থাটি।
শেখ রেহানার পরিবারের বিরুদ্ধে করা তিন মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও তার বোন শেখ রেহানা, তার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিউক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং আরেক মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীকে আসামি করেছে দুদক।
পরে ১৪ জানুয়ারি শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
এসব মামলায় শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য ছাড়াও আরো ১৬ জনকে এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে। এরই মধ্যে এই মামলায় শেখ হাসিনাকে ২১ বছরের কারাদণ্ড, সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
প্লট দুর্নীতির ছয় মামলাতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আসামি করা হয়েছে। প্রতিটি মামলারই বিবরণই প্রায় একরকম।