যারা নির্বাচন ও সংসদকে ভয় পায়, তারাই অন্ধকারে পথ খোঁজে: তথ্যমন্ত্রী

যারা অতীতে নির্বাচন ও জাতীয় সংসদকে ভয় পেয়েছে, তারাই বারবার গণতন্ত্রের পথে অন্ধকারের পথ খুঁজেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে যতোগুলো ইতিহাসের বাঁকবদল ঘটেছে, তার মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং নব্বইয়ের এরশাদবিরোধী আন্দোলনই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘আশি-নব্বই দশক ছাত্র মুভমেন্ট’ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে ‘তারেক রহমানের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর অতীত রাজনৈতিক ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জাতীয় বেইমানের খেতাব ধারণ করে স্বৈরাচারী এরশাদের অধীনে আওয়ামী লীগ যেভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলো, তেমনি জামায়াত ইসলামীও ইসলামের লেবাস ধারণ করে এরশাদের সেই পাতানো নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলো।

দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে সঠিকভাবে পাঠ করতে হলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে যেমন স্বীকৃতি দিতে হবে, ঠিক একইভাবে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এরশাদবিরোধী আন্দোলনকেও সমানভাবে গুরুত্ব ও স্বীকৃতি দিতে হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যারা মূলত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচনকে ভয় পায়, তারাই বারবার অন্ধকার পথ বেছে নিয়ে দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে। দেড় দশকের স্বৈরশাসনের পতন ঘটিয়ে এখন তারেক রহমানের ভাবনায় আগামী দিনের বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ আশি ও নব্বই দশকের সাবেক ছাত্রনেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং আগামীর বাংলাদেশ গঠনে তাদের মতামত তুলে ধরেন।