শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতার বদলে তদবিরের সংস্কৃতি শিক্ষা ক্ষেত্রে বড়সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীওবায়দুল কাদের।
শুক্রবার সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শিক্ষা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিতএক সেমিনারে তিনি একথা জানান।
আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কমিটি ‘শিক্ষা: ২০৪১ সালেরলক্ষমাত্রা অর্জনের বাস্তবিক কৌশল’ শীর্ষক এই সেমিনারটি আয়োজন করে।
সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাদের বলেন,পরীক্ষার্থী নয়, চাই শিক্ষার্থী। জীবিকা নয়, জীবনের জন্যই শিক্ষা প্রয়োজন। এ বাস্তবতাশিক্ষক-অভিভাবক-শিক্ষার্থী ও নীতিনির্ধারকদের সবার আগে উপলব্ধি করতে হবে’।
শিক্ষা কোনও সুযোগ নয়, এটি মৌলিক অধিকার- উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষাযে মু্ক্তচিন্তা এবং দেশপ্রেমের বিকাশে অপরিহার্য সেটা আমরা ভুলে গেছি। আজকে শিক্ষাআমাদের কাছে পণ্য হয়ে গেছে। শিক্ষা হয়েছে পরীক্ষাভিত্তিক’।
শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে কাদের আরো বলেন, ‘একশ’ নয়, বিশ্বেরপাঁচশ’ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও বাংলাদেশের কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। বাংলাদেশেরএকটি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বমানের নয়, এটি খুবই দুঃখজনক’।
মেধাবীদের মেধার মূল্যায়ন করতে হবে, কোনও নেতার তদবিরে নয় উল্লেখ করেওবায়দুল কাদের বলেন শিক্ষার মান যেমন বাড়াতে হবে তেমনি শিক্ষকতার মানও বাড়াতে হবে।এখন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতার চাইতে তদবির প্রাধান্য পায়, যা দুঃখজনক।
শিক্ষা দিবস নিয়ে ছাত্র সংগঠনের কোনো কর্মসূচি না থাকায় দুঃখ প্রকাশকরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ছাত্রনেতারা এখন তাদের ক্যাম্পাস, শিক্ষা ওশিক্ষার সমস্যা— এমনকি কোনোসংগঠন এই দিবসের তাৎপর্য নিয়ে কোনো সেমিনারও করে না।
কাদের আক্ষেপ করে আরও বলেন, সেই বাষট্টিতে ছাত্রদের তীব্র আন্দোলনেরমুখে আইয়ুব খান শরীফ কমিশন বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিলো। কিন্তু আজকে ছাত্র সংগঠনগুলোরসেই গৌরবময় ইতিহাস কোথায় গেল’।
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল খালেকেরসভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান, আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার রোকেয়া সুলতানা।শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতার বদলে তদবিরের সংস্কৃতি শিক্ষা ক্ষেত্রে বড়সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীওবায়দুল কাদের।
শুক্রবার সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শিক্ষা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিতএক সেমিনারে তিনি একথা জানান।
আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কমিটি ‘শিক্ষা: ২০৪১ সালেরলক্ষমাত্রা অর্জনের বাস্তবিক কৌশল’ শীর্ষক এই সেমিনারটি আয়োজন করে।
সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাদের বলেন,পরীক্ষার্থী নয়, চাই শিক্ষার্থী। জীবিকা নয়, জীবনের জন্যই শিক্ষা প্রয়োজন। এ বাস্তবতাশিক্ষক-অভিভাবক-শিক্ষার্থী ও নীতিনির্ধারকদের সবার আগে উপলব্ধি করতে হবে’।
শিক্ষা কোনও সুযোগ নয়, এটি মৌলিক অধিকার- উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষাযে মু্ক্তচিন্তা এবং দেশপ্রেমের বিকাশে অপরিহার্য সেটা আমরা ভুলে গেছি। আজকে শিক্ষাআমাদের কাছে পণ্য হয়ে গেছে। শিক্ষা হয়েছে পরীক্ষাভিত্তিক’।
শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে কাদের আরো বলেন, ‘একশ’ নয়, বিশ্বেরপাঁচশ’ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও বাংলাদেশের কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। বাংলাদেশেরএকটি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বমানের নয়, এটি খুবই দুঃখজনক’।
মেধাবীদের মেধার মূল্যায়ন করতে হবে, কোনও নেতার তদবিরে নয় উল্লেখ করেওবায়দুল কাদের বলেন শিক্ষার মান যেমন বাড়াতে হবে তেমনি শিক্ষকতার মানও বাড়াতে হবে।এখন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতার চাইতে তদবির প্রাধান্য পায়, যা দুঃখজনক।
আরও পড়ুন: প্রতারণার অভিনব সব কৌশল দেখিয়েছে ইভ্যালি
শিক্ষা দিবস নিয়ে ছাত্র সংগঠনের কোনো কর্মসূচি না থাকায় দুঃখ প্রকাশকরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ছাত্রনেতারা এখন তাদের ক্যাম্পাস, শিক্ষা ওশিক্ষার সমস্যা— এমনকি কোনোসংগঠন এই দিবসের তাৎপর্য নিয়ে কোনো সেমিনারও করে না।
কাদের আক্ষেপ করে আরও বলেন, সেই বাষট্টিতে ছাত্রদের তীব্র আন্দোলনেরমুখে আইয়ুব খান শরীফ কমিশন বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিলো। কিন্তু আজকে ছাত্র সংগঠনগুলোরসেই গৌরবময় ইতিহাস কোথায় গেল’।
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল খালেকেরসভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান, আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার রোকেয়া সুলতানা।
একাত্তর/টিএ