কাগজ-কলমের সমীকরণ অনেক কিছু বলছিল। তবে সেরকম কিছুই আর হলো না। নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ধরাশায়ী টাইগাররা।
এদিন লিটন দাশের ২৪ আর মেহেদী হাসানের ২৭ রানের ওপর ভর করে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮৪। আর ৮৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নামা আফ্রিকা জয় তুলে নিলো ছয় উইকেটে। ৩৯ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে প্রোটিয়ারা সেমির পথে এক পা রাখলো আর সুপার টুয়েলভ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিলো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।
ম্যাচের শুরুতে চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে রাবাদার শিকার হন নাঈম। ৯ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। নাঈমের বিদায়ের পরের বলেই আবারও রাবাদার বলে শূন্য রান করে আউট হন সৌম্য সরকার। তবে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত তা করতে পারেননি রাবাদা।
সৌম্য ফিরে গেলে ব্যাট করতে নামেন মুশফিকুর রহিম। তবে তিনিও ব্যর্থ। রাবাদার তৃতীয় শিকার হয়ে তিন বলে শূন্য রান করে ফিরে যান মুশি। অষ্টম ওভারে টাইগার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ নরটজের শিকার হন ব্যক্তিগত তিন রানে। এর পরের বলেই নবম ওভারে প্রেটোরিয়াসে বলে শূণ্য সংগ্রহে সাজঘরে ফেরেন আফিফ হোসেন।
ইনিংসের ১২তম ওভারে শামসির বলে ব্যক্তিগত ২৪ রানের মাথায় এলবিডব্লিউ এর শিকার হন লিটন দাস।
১৬তম ওভারে শামসির আরেক শিকারে পরিণত হন শামিম হোসেন। সাজঘরে ফেরার আগে দলীয় সংগ্রহে তিনি যোগ করেন ১১ রান। এরপর ধারাবাহিক বিরতিতে ১৮তম ওভারে রান আউটের শিকার হন তাসকিন আহমেদ।
পরের ওভারেই নরটজের পর পর দুই বলে ২৭ রানে ফেরেন মেহেদী হাসান এবং শূণ্য রানে ফেরেন নাসুম আহমেদ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা
কুইটন ডি কক ১৬, ভ্যান ডার ডুসন ২২, বাভুমা ৩১
তাসকিন ৪-০-১৮-২, নামুন ২-০-২২-১, মেহেদী ২.৩-০-১৯-১
বাংলাদেশ
লিটন দাস ২৪, মেহেদী হাসান ২৭, শামীম হোসেন ১১
রাবাদা ৪-০-২০-৩, নর্টজ ৩.২-০-৮-৩, প্রিটোরিয়াস ৩-০-১১-১, সামসি ৪-২-২১-২
প্লেয়ার অব দ্য মাচ: ক্যাসিগো রাবাদা
একাত্তর/এসি