খেলা হবে ইংলিশ ব্যাটিংয়ের সঙ্গে কিউই বোলিংয়ের

অতীতের পরিসংখ্যান বলছে, নিউজিল্যান্ডের চেয়ে ঢেক এগিয়ে ইংলিশরা। সাউথ অফ্রিকার সঙ্গে হারের ব্যাপারটা বাদ দিলে ২০১৯ ওয়ানডের বিশ্বকাপের মতোই আগ্রাসী ওয়েন মর্গানের দল। বিশেষ কোরে দলটির ব্যাটিং লাইনআপ সামলানো যে কোন দলের জন্য হবে মুশকিল। 

২০১৯ বিশ্বকাপে ফাইনালের স্মৃতিটা কি আবুধাবিতে ফিরে আসার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। একটুর জন্য নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপটা ইংল্যান্ডের কাছে খুইয়েছিল নিউজিল্যান্ড। ভাগ্যের ফেরে পরের টি-টোয়েণ্টি বিশ্বকাপের সেমিতে এসে আবার হলো দেখা। 

বিশ্বকাপে হারের পর অবশ্য নিউজিল্যান্ড জিতেছে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রতিশোধটা যে নেয়া হয়নি এখনো। 

আবুধাবির মাঠে সেমিফাইনালের উইকেটটা কেমন হবে তাতে এখন আর কিছু যায় আসে না, কারণ ইংল্যান্ড কিংবা নিউজিল্যান্ড, কেউই উইকেট কিংবা ওভারঅল কন্ডিশনের ধার ধারে না, খেলতে হবে নিজেদের ক্রিকেটটা। আর কেবল সেটা দিয়েই করতে হবে বাজিমাত। 

কিন্তু বলা যতো সহজ, করা তো তোতোটা নয়। কারণ প্রতিপক্ষ যে বড় শক্ত। আর অতীত পরিসংখ্যান বলছে, নিউজিল্যান্ডের জন্যই কাজটা বেশি কঠিন হতে যাচ্ছে। 

কারণ এর আগে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ২১ ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে ১২বারই হেরেছে কিউইরা। এবারের সুপার অ্যাগ্রেসিভ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কেন উইলিয়ামসন বাহিনীর গেইমপ্ল্যান ক্লিক কোরবে কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষা। 

আরও পড়ুন: সাগরে লঘুচাপ, বৃষ্টির সম্ভাবনা

মূল চ্যালেঞ্জ হবে ইংল্যান্ডের তুখোড় ব্যাটিংলাইন সামলানো, বিশেষ করে টপঅর্ডার। এর আগের লড়াইয়ে ওদের ক্যাপ্টেন ওয়েন মর্গানই সবচেয়ে বেশি তুলোধুনো করেছে কিউই বোলারদের। 

ডেভিড মালানও আছেন এই দলে, টপ ফাইভে না থাকলেও জস বাটলার ব্ল্যাকক্যাপ্স দূর্গের দুঃস্বপ্ন হতেই পারেন। ইনজুরিতে ছিটকে গেছেন জেসন রয়, তবে ওর জায়গায় দলে ডাক পাওয়া জেমস ভিন্সও পাওয়ার হিটার। 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সফলতম কিউই বোলাররা আছেন স্কোয়াডে, স্যান্টনার-সাউদি-বোল্টদের ওপর তাই থাকছে বাড়তি দায়িত্ব। 

তবে বোলাররা তো ফেইল করতেই পারেন, হারাতে পারেন খেই। তারপর আর উপায় নেই, সেইটা বলা যাচ্ছে না। 

কারণ, নিউজিল্যান্ডের টপ অর্ডারটা যে মার্টিন গাপটিল-কেন উইলিয়ামসনদের নিয়ে সাজানো। টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওদের সাফল্যও চোখে পড়ার মতো। 

তবে ইংলিশ বোলাররাও নিশ্চয় ছেড়ে কথা বলার নয়। লেগ স্পিনে আদিল রশিদের সাথে থাকছে মঈন আলির আদিল রশিদের অফব্রেক। পেস অ্যাটাকেও আছেন ধারালো ক্রিস জর্ডান। মর্গান নিশ্চয় ওদের ব্যবহার করবেন পাকা দাবাড়ুর মতো। চাল দিতে হবে তাই বুঝে শুনে।  


একাত্তর/আরএইচ