বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা ছিল হতাশার। টপ ওর্ডারের তিনজনের সংগ্রহ তখন ৯ রান। প্রথম বাউন্ডারির জন্যই অপেক্ষা করতে হয়েছিল পাওয়ার প্লের শেষ ওভার পর্যন্ত। এরই মধ্যে সাজঘরে ফিরেছিলেন ওপেনার নাঈম, সাইফ ও শান্ত। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ পেয়েছে লড়াই করার মতো সংগ্রহ। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১২৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছে টাইগাররা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন আফিফ হোসেন। শেখ মেহেদীর ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান। নুরুল হাসান সোহান খেলেন ২৮ রানের ইনিংস।
ম্যাচের শুরুতে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিকরা। পেসার হাসান আলীর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে নাঈম শেখ ফেরেন ১ রান করে। বেশ চমক জাগিয়ে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হওয়া সাইফ হাসানও সতীর্থকে অনুসরণ করে একই পথ ধরেন সমান ১ রানেই। ১০ রানেই বাংলাদেশ হারায় দুই উইকেট।
বাংলাদেশ দল এ ম্যাচে পাওয়ার-প্লের ৬ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে তোলে মাত্র ২৫ রান। আশা দেখিয়ে আরেক দফা হতাশ করলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এ দফায় অবশ্য নিজেকে দুর্ভাগা দাবি করতে পারেন তিনি। মোহাম্মদ নেওয়াজের হাল্কা টার্ন করা বল বেরিয়ে যাওয়ার আগে স্টাম্প ছুয়ে যায়। মাহমুদউল্লাহ ফেরেন ১১ বলে ৬ রানে। পরে ৪০ রানে ৪ উইকেট হারানো স্বাগতিক বাংলাদেশকে টেনে নেন আফিফ হোসেন। তবে ইনিংসটাকে বেশি বড় করতে পারেননি তিনি। পরে ফেরেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৬ রান করে। যেখানে ওই দুটি ছয়ের সঙ্গে দুটি চারের মার আসে তার ব্যাট থেকে।
জুটি গড়তে ব্যর্থ বাংলাদেশকে খেলায় ফেরানোর চেষ্টা করেন নুরুল হাসান সোহান ও শেখ মেহেদী হাসান। তাদের ষষ্ঠ উইকেট জুটি থেকে আসে ৩৫ রান।
শেষদিকে শেখ মেহেদী হাসানের ২০ বলে অপরাজিত ৩০ রানের কল্যাণে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে সাত উইকেট হারিয়ে ১২৭ রানের পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ দল। জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ১২৮ রান। সফরকারীদের হয়ে পেসার হাসান আলী সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন।
একাত্তর/এসি