শানাকাদের চোখ রাঙানিকে সত্যি করে এবার এশিয়া কাপের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শ্রীলঙ্কা। শুরুতে নড়বড়ে মনে হলেও আত্মবিশ্বাসে জেগে ওঠা দলটি সুপার ফেরে জিতেছিল টানা চার ম্যাচ। আর সেই মোমেন্টামকে পুঁজি ও আত্মবিশ্বাসে ভর করে ফাইনালেও উতরে গেলো দলটি।
এদিকে ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পাক কাপ্তান বাবর আযম বলেন, মূলত বাজে ফিল্ডিং ও ক্যাচ মিসের মাসুল গুনেছে পাকিস্তান। তার মতে, বাজে ফিল্ডিংয়ের কারণেই ফাইনালে হেরেছে তার দল।
দাসুন শানাকাদের অভিনন্দন জানিয়ে বাবর আজম বলেন, শ্রীলংকা দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে। তবে আমাদের ফিল্ডিং আজ কোনোভাবেই ভালো ছিল না। খুবই বাজে হয়েছে। তা ছাড়া আমাদের মিডল অর্ডার যেভাবে চেয়েছিলাম, সেভাবে ক্লিক করেনি। আমরা শুরুতে তাদের চেপে ধরেছিলাম। কিন্তু শেষটা হয়নি। আমরা যেভাবে চেয়েছি সেভাবে শেষ করতে পারিনি। একটি জুটিই সেখান থেকে বের করে নিয়েছে তাদের।
বাজে ফিল্ডিং বলতে শ্রীলংকার সর্বোচ্চ স্কোরার ভানুকা রাজাপাকসেকে দুটি জীবন দেওয়ার কথাই বলছেন বাবর আজম।
ফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের দুই পেসার নাসিম শাহ ও হারিস রউফের তোপে ৫৮ রানেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলে শ্রীলঙ্কা। ১০০ রানও পার হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।
আর সেখান থেকে আর মাত্র দুই উইকেট খুইয়ে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর করে শ্রীলংকা, যা নির্ধারিত ২০ ওভারও পার করতে পারেনি পাকিস্তান। ২৩ রানে হেরে যায় বাবর আজমের দল।
শ্রীলংকার জয়ের নায়ককে দুবার আউট করার সুযোগ পেয়েছিল পাকিস্তান। প্রথমবার যখন তার রান ৪৬। হারিস রউফের স্লোয়ার মারতে গিয়ে বল আকাশে তুলেছেন রাজাপাকসে। লংঅন থেকে ছুটে এলেও বলের নিচে যেতে না পেরে ক্যাচ ফেলে দেন।
এর কিছুক্ষণ পর আবারও ব্যর্থ হন শাদাব। এবারও সৌভাগ্যক্রমে ব্যক্তিগত ৫১ রানে বেঁচে ফেরেন রাজাপাকসে। মোহাম্মদ হাসনাইনের ওভারে তুলে মেরেছিলেন রাজাপাকসে। সেই ক্যাচ ধরতে লংঅন থেকে ছুটে আসা আসিফ আলীর সঙ্গে ধাক্কা লাগে শাদাবের। দুজনের একজনও ক্যাচ তো ধরতেই পারলেন না, বল হয়ে যায় ছক্কা।
একাত্তর/এসি