ভারতকে দেওয়া ১৪৫ রান মামুলি বলাই যেতে পারে। কিন্তু সেই মামুলি লক্ষে ভারত ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে। চা খেয়ে এসে ৪৫ রান তুলতেই ভারত হারিয়েছে চারটি উইকেট। বলা যেতে পারে- সেই হোঁচটের পর এখন মিরপুরে ভারত রীতিমতো কাঁপছে। যদিও সক্ষমতা বিবেচনায় নিলে সেই বিপদ উতরে যাওয়ার যথেষ্ট উপাদান এখনও ভারতের থোলেতে আছে। যদি বাংলাদেশ এই ম্যাচ জিতেও যায় তবে তা হতে পারে এক ‘অবিশ্বাস্য’। তবে ক্রিকেট আর মিরপুর বলছে, এখানে সব কিছুই সম্ভব। ঘটতে পারে যে কোনো কিছুই।
নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় তিন রানের মাথায় ভারতীয় কাপ্তান লোকেশ রাহুলকে হারিয়েছে ভারত। আর প্রথম আঘাতটি হানেন সাকিব।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে সাকিব টার্নে পরাস্ত হন রাহুল (২)। ব্যাটে ছোঁয়া লেগে বল চলে যায় উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসে।
এরপর সাত দশমিক দুই ওভারে আরেক বড় আঘাত করেন মেহেদী মিরাজ। এবার উইকেট কিপার সোহানের হাতে স্ট্যাপিং হন ওয়ান ডাউনে নামা চেতাশ্বরা পূজারা (৬)। ভারতে খাতায় তখন রান মাত্র ১২।
১৩ দশমিক দুই ওভারে মিরাজ বল এগিয়ে এসে ডিফেন্স করতে গিয়ে ব্যর্থ হন ওপেনার শুভমন গিল। বল তার ব্যাট ফাঁকি দিয়ে চলে যায় উইকেট কিপার সোহানের হাতে। এরপর মুহূর্তেই স্টাম উপড়ে ফেলেন সোহান। গিল ফেরেন ব্যক্তিগত সাত রানে। ভারতের খাতায় তখন রানের সংখ্যা ২৯।
এরপর ব্যাট করতে আসেন ভারতের বড়ো ভরস বিরাট কোহলি। চাপে থেকে ব্যাটিং করা কোহলি মাত্র এক রান করে মেহেদী মিরাজের বলে মমিনুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। ভারতের খাতায় তখর রানের সংখ্যা ৩৭। এর মধ্যে তারা হারিয়ে বসে চারটি উইকেট।
উইকেটে অপাজিত থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেন আকসার প্যাটেল (২৬) ও জয়দেব উনাদকাট (৩)।
এই দিন মাত্র আট ওভার বল করে শুভমন গিল, চেতাশ্বরা পূজারা ও বিরাট কোহলিকে ফেরান মেহেদী মিরাজ। আর ভারতীয় দলের কাপ্তান লোকেশ রাহুলকে ফেরান বাংলাদেশের কাপ্তান সাকিব।
এদিকে ম্যাচ জয়ে ভারতের প্রয়োজন ১০০ রান। আর বাংলাদেশে ছয়টি উইকেট।
একাত্তর/এসি