তুরুষ্কের রাষ্ট্র-চালিত সংবাদ সংস্থা ‘আনাদোলু এজেন্সি’ তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের বিস্ফোরক মন্তব্য প্রচার করেছে! যেখানে তিনি বলেছেন, ‘রোনালদো এমন একজন ফুটবলার, যিনি ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন’, ফলে বিশ্বকাপে তাকে রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞার শিকার হতে হয়েছে।
দেশটির পূর্ব এরজুরুম প্রদেশের তরুণ ভোটারদের সাথে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
রোববার (২৫ ডিসেম্বর) আতাতুর্ক ইউনিভার্সিটির সেই অনুষ্ঠানে, আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির সাথে পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর তুলনা করা যায় না, এমন এক প্রসঙ্গে কথা বলার সময়, তুর্কি প্রেসিডেন্টে এ দাবি তোলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, তারা রোনালদোকে নষ্ট করেছে। দুর্ভাগ্যবশত, পর্তুগাল তার ওপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ম্যাচের মাত্র ৩০ মিনিট বাকি থাকতে রোনালদোর মতো একজন ফুটবলারকে মাঠে পাঠানো মানে, তার মনোবলকে নষ্ট করা এবং তার শক্তি কেড়ে নেওয়া।
রোনালদোর প্রতি এমন আচরণের কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, ‘ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ানোকে।’
আরও পড়ুন: ব্রাজিলে নতুন কোচ হবার দৌড়ে এগিয়ে জিদান!
৩৭ বছর বয়সী এই রোনালদোকে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে একাদশের বাহিরে রাখা হয়।
মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালেও মাঠে নামনো হয়নি পর্তুগালের সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। খেলার ৫২ মিনিটে রুবেন নেভাসের জায়গায় মাঠে নামানো হয় তাকে।
একাত্তর/আরএ