লিভারপুলের বিরুদ্ধে ৮৪ বছর পর জয় পেলো ব্রেন্টফোর্ড

সিজনটা একদমই ভালো যাচ্ছে না সালাহদের। যদিও টানা দুই জয় নিয়ে বিশ্বকাপ বিরতিতে গিয়েছিলো তারা। এরপর গত ২৬ ডিসেম্বর আবারও মাঠে ফেরে ইপিএল। এরপর আবারো টানা দুই জয়ে টেবিলের সেরা পাঁচে প্রবেশের সুযোগ পায় ক্লপের দল। কিন্তু ১৯৩৮ সালের পর ব্রেন্টফোর্ডের কাছে ৩-১ গোলে হেরে টেবিলের ছয়েই রয়েছে অলরেডরা।

সাবেক ইপিএল চায়ম্পিয়নদের সিজনটা ভালো যাচ্ছে না, সিজনের শুরু থেকেই ইয়ুর্গেন ক্লপের দলটি প্রত্যাশিত পারফর্ম্যান্স করতে পারছিলো না। হারিয়ে ফেরা নিজেদের ছন্দটা যেনো ফিরে পেয়েছিলো তারা, বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে এবং পরে, টানা চার ম্যাচ জয়ের পর, শীর্ষে পাঁচে জায়গা করে নিতে কাল প্রয়োজন ছিলও একটি জয়ের। কিন্তু আবারো ছন্দ পতন, হেরে বসলো সপ্তম স্থানে থাকা ব্রেন্টফোর্ডের কাছে।

দিনের প্রথম গোলটি আসে লিভারপুলের পা থেকেই, ইব্রাহিমা কোনাতের করা আত্মঘাতী গোলে ম্যাচের ১৯ তম মিনিটে পিছিয়ে পরে অলরেডরা। বিরতিতে যাওয়ার আগে ইয়োয়ানে উইসার গোলে ব্যবধান বাড়িয়ে ২-০ গোলে প্রথম অর্ধ শেষ করে সালাহরা।

তিন পরিবর্তন নিয়ে দ্বিতীয় অর্ধ শুরু করে লিভারপুল। ম্যাচের ৪৮ মিনিটেই ব্যবধান কমাতে পারতো অলরেডরা, যদিনা নুনিয়েজের করা গোলটি ভিএআর ডিসিশনে বাতিল না হতো। তবে মাত্র দুই মিনিট পরেই অক্সলেইড-চেম্বারলেইনের হেড জালের দেখা পেলে ব্যবধান কমায় কলপের দল। 

ড্র কিংবা জয়ের আশা দেখতে থাকা অলরেডদের নিশ্চুপ ৮৪ মিনিটে গোল করে বসেন ব্রায়ান এমবিউমোর। সেই গোলেই ৩-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রেন্টফোর্ড। 

এমবিউমোর করা শেষ গোলটি মেনে নিতে পারছেন না লিভারপুল কোচ। তিনি বলেন, ব্রেন্টফোর্ডের করা তৃতীয় গোলে রেফারির সিদ্ধান্তকে ‘সম্মান করতে পারছি না’। 

তিনি অভিযোগ করেন, গোল করার আগে এমবিউমো ফাউল করেছেন কোনাতেকে। 

ভিডিও রিপ্লেতে দেখা যায়, মাঝ মাঠ থেকে এমবিউমোকে লক্ষ্য করে বাড়ানো বলের কাছে আগে যান কোনাতে। বলকে হেড করে একটু সামনে এগিয়ে নেন তিনি। তবে পেছন থেকে তাকে ধাক্কা মারেন এমবিউমো। দুজনের পায়ে-পায়ে সংঘর্ষ হয়ে কোনাতে পড়ে গেলেও ফাউলের বাঁশি বাজাননি রেফারি স্টুয়ার্ট অ্যাটওয়েল।

ম্যাচ শেষে তাই অভিযোগ করেন রেফারির উপর, ফাউল মানে ফাউল, কাউকে আটকে রাখা মানে আটকে রাখা, কাউকে ধাক্কা দেওয়া মানে ধাক্কাই দেওয়া। তারা এটা করতে পারে না।


একাত্তর/আরআই/এসি