অলিম্পিকে নিয়মিত অংশগ্রহণ বাংলাদেশের। কিন্তু কখনোই আশা জাগেনা, স্বপ্ন থাকেনা। যেন নিয়মরক্ষার এক অংশগ্রহণ। তবে আসছে টোকিও অলিম্পিকে বাংলাদেশকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে তীর ধনুকের খেলা আর্চারি। এবার রোমান সানার পর দিয়া সিদ্দিকীও পদকের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন বাংলাদেশকে। এ ব্যাপারে আশাবাদী আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিব উদ্দিন।
আঁধারের বাতিঘর। আলোর রোশনাইতে তিনি উজ্জ্বল। তীর ধনুকের অজানা এক খেলাকে যিনি জেনেছেন, জানিয়েছেন। একটা রূপকথার গল্পও লিখেছেন। রোমান সানার হাত ধরেই বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন একটা স্বপ্ন সেজেছে, ক্রিকেট ফুটবলের বাইরে গিয়েও বাংলাদেশের মানুষ এখন তীর ধনুকের খেলায় আনন্দ পেতে শিখেছে। এই আর্চারি আর রোমান সানা একে অপরের সঙ্গি, বাংলায় কালের সঙ্গি।
আর্চারি মানেই যেন রোমান সানা। কিন্তু সময়ের সাথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ধ্যান ধৈর্যের এই খেলাতে। সবশেষ এসএ গেমসে ১০ ইভেন্টের ১০টাতেই স্বর্ণ জিতেছেন। লাল সবুজের মানচিত্রে তখনই একটা বিপ্লব ঘটে গেছে। তরুণ তরুণীরাও এখন এই খেলাতে এগিয়ে আসছে, দশের তরে লড়তে শিখেছে।
অলিম্পিকে সরাসরি খেলার সুযোগ তৈরি করা রোমান সানার পর আরেক বাংলাদেশির এসেছে সে সুযোগ। দিয়া সিদ্দিকী,আর্চারির তীর ধনুক হাতে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে তিনিও প্রতিনিধিত্ব করবেন। তিনি সুযোগ পেয়েছেন 'ইনভাইটেশন প্লেসে'। এই দুই আর্চার টোকিও অলিম্পিকে খেলবেন ৩টি ইভেন্টে।
রোমান আর দিয়া ছাড়াও ওয়াইল্ড কার্ড পেয়ে অলিম্পিকে যাওয়া নিশ্চিত করেছেন সাঁতারু আরিফুল ইসলাম, জুনায়না আহমেদ, অ্যাথলেট জহির রায়হান। আর কোটা প্লেসে শুটিং থেকে অলিম্পিকে যাচ্ছেন আবদুল্লাহ হেল বাকি।
বরবারই অলিম্পিকে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়মরক্ষারই থাকে। তবে এবার দৃশ্যপটে আশার পাল উড়ছে আর্চারিতে, রোমান সানা আর দিয়া সিদ্দিকীর হাত ধরে। এখন পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে ওদের যে পারফরম্যান্স তাতে স্বপ্নের ভিত গড়াই যায়।
একাত্তর/এসজে