আমেরিকাতে মেসি ম্যাজিক চলছেই। ২৮ দিনেই ক্লাব র্যাংকিংয়ে বেড়েছে ৫০০ শ'র বেশি পয়েন্ট। লিগস কাপের ফাইনাল ম্যাচ দেখতে অনলাইনে উপচে পড়া ভিড় সমর্থকদের।
কাড়ি কাড়ি টাকা দিয়েও মিলছে না ফাইনাল ম্যাচের টিকেট। লিগস কাপের ফাইনালে রবিবার সকাল ৭টায় মেসির মায়ামির প্রতিপক্ষ ন্যাশভিলে।
সেদিনটার কথা মনে আছে? ফ্লোরিডাতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যেতে মানা। কোথায় কি প্রাকৃতিক দুর্যোগকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মেসিকে এক নজর দেখতে হাজির হয়েছিলো সমর্থকরা। মেসিও সমানতালে দিয়ে চলেছেন সবার ভালোবাসার প্রতিদান।
২১ জুলাই ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে ডেব্যু হয়েছিলো আর্জেন্টাইনের। কাটলো চার সপ্তাহ, এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী ক্লাব র্যাংকিংয়ে ৫১৯ পয়েন্ট বেড়ে গেছে ইন্টার মায়ামির। যা রেকর্ডই বটে।
একই সাথে প্রতিনিয়ত হু হু করে বাড়ছে মেসিদের ম্যাচের টিকেট। এই খবরটা পুরোনো। তবে লিগস কাপের ফাইনাল ম্যাচের টিকেটের দাম ছাড়িয়ে গেছে আগের সব রেকর্ড।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ম্যাচের টিকেটের চেয়েও বাড়তি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে ইন্টার মায়ামি বনাম ন্যাশভিলের টিকেট।
ম্যানসিটি বনাম ইন্টার মিলানের টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ছিলো সাড়ে ৭৭ ডলার। আর জিওডিস পার্কে বসে মেসির ফাইনাল ম্যাচ দেখতে হলে দর্শকদের গুণতে হচ্ছে প্রায় ৫০০ ডলার।
এ তো গেলো সাধারণ টিকেটের কথা। সবচেয়ে ভালো সিটের টিকেট বিক্রি হচ্ছে ১২ হাজার ৭৫ ডলারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৩ লাখ টাকারও বেশি।
দক্ষিণ আমেরিকার মেসি এফেক্টে উত্তরে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে মেসি মোমেন্টস। সেই সুযোগে লিও চালাচ্ছেন নয়-ছয়। না কোনো অপচয়ও নয়।
ছয় ম্যাচে ৯ গোল করে ফেলেছেন সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। এবারে সব পাওয়া, বিশ্বজয়ী মেসি দাঁড়িয়ে আমেরিকার মাটিতে প্রথম আর ক্যারিয়ারের ৪৪ নম্বর ট্রফির সামনে।
লাগে টাকা দেবে গৌরি সেন। আমেরিকানদের এখন এমন হালই। টাকা লাগলে যাক। প্রথমবার মার্কিন ডেরায় রেড হট মেসির হাত ধরে ইন্টার মায়ামি ঘরে তুলতে যাচ্ছে প্রথম শিরোপা এমন দৃশ্য কি না দেখে থাকা যায়। তাই সুপার সানডেতে জিওডিস পার্ক থাকবে হাউসফুল।