টোকিও গেমস জিতে বিশ্বের দ্রুততম মানব ইতালির জ্যাকব

অবশেষে উসাইন বোল্টের উত্তরসূরিকে পাওয়া গেলো। টোকিও অলিম্পিকের দ্রুততম মানব হয়ে নিজেকে সেই জায়গায় বসালেন ইতালির লামন্ত মার্সেল জ্যাকব।

মাত্র বছর দুয়েক আগে, ২০১৮ সালে লং জাম্প ছেড়ে স্বল্প পাল্লার দৌড়ে নাম লেখানো জ্যাকব টোকিও গেমসের রাজা হতে সময় নেন ৯.৮০ সেকেন্ড। 

আর দ্বিতীয় হয়েছেন আসরের ফেবারিট আমেরিকার স্প্রিন্টার ফ্রেড কার্লি। তিনি সময় নিয়েছেন ৯.৮৪ সেকেন্ড। টানা দ্বিতীয়বার অলিম্পিকের আসরের এই ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছেন কানাডার আন্দ্রে ডি গ্রাস। তিনি সময় নিয়েছেন ৯.৮৯ সেকেন্ড।

টোকিও গেমসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় এই ইভেন্টের ফাইনালে ছিলেন না চলতি বছরের সবচেয়ে দ্রুততম মানব ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ক্রিশ্চিয়ান কোলম্যান এবং ট্রায়ভোন ব্রোমেল।

তিন তিনটি ডোপ পরীক্ষায় হাজিরা নিতে না পারার কারণ জানাতে না পারায় কোলম্যানকে নিষিদ্ধ করা হয়। অন্যদিকে সেমিফাইনালে বাদ পড়েন ব্রোমেল। 

আসরে শুরুতে দ্রুততম মানব জ্যাকব ছিলেন অনেকটাই আলোচনার বাইরে। আমেরিকার টেক্সাসে জন্ম নিলেও প্রথম জন্মদিবসের আগেই মায়ের দেশ ইতালিতে চলে যান তিনি।

তবে ১০০ মিটার স্প্রিন্টের শুরু থেকেই ক্ষিপ্র গতি আর স্টাইলে জ্যাকব নিজেকে এগিয়ে রাখেন। বিশেষ করে শেষ ৪০ মিটারে তিনি গতি বাড়িয়ে ফিনিশিং লাইন অতিক্রম করেন।

সেই সঙ্গে নিজেকে উসাইন বোল্টের উত্তরসূরি হিসাবে হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করে নেন। রিও গেমসে বোল্ট যে সময়ে স্বর্ণ জিতেছিলেন, টোকিওতে তার চেয়ে কম সময় নিয়েছেন জ্যাকব।


দৌড় শেষ করার পর, জ্যাকবকে সবার আগে অভিবাদন জানাকে এগিয়ে আসেন স্বদেশী হাই জাম্পার জিয়ানমারকো টাম্বেরি। যিনি কিছু আগেই যৌথভাবে স্বর্ণ জিতেছেন নিজের ইভেন্টে।

টোকিও গেসসে ১০০ মিটার স্প্রিন্টের ফাইনাল শুরুর আয়োজন ছিলো বেশ নাটকীয়। মাঠের সব আলো নিভিয়ে ১২টি প্রোজেক্টর লাইট দিয়ে টোকিওর আকাশে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রক্ষেপণের মাধ্যমে দিয়ে একে একে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় সব অ্যাথলেট। এরপর দৌড় শুরুর আগে আবারো জ্বলে উঠে স্টেডিয়ামের সব আলো। 



একাত্তর/এআর