বাংলার সাঁতারের আঁতুর ঘর কুষ্টিয়ার আমলা। এখান থেকেই জুয়েল সফুরাদের মতো সাঁতারুরা উঠে আসে। যদিও ওদের সম্বল কেবল বর্ষায় টইটম্বুর মজা খাল। কুষ্টিয়ায় একটা সুইমিং পুল থাকলেও দূরত্বের কারণে তা আমলার সাঁতারুদের কোনো কাজে আসছে না।
জলে জলে শব্দ তুলে বিশ্ব আসর মাতাতে সাঁতারুদের চাই আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা; প্রয়োজনীয় অবকাঠামো পেলেই নীল জলে সফলতার গল্প লেখা যায়; না পেলে বাদ পড়তে হয় প্রথম হিটেই।
দেশের সাঁতারে ভীত গড়ে দেয়া কুষ্টিয়ার আমলার সাঁতারুরা এই গল্পটা হাড়ে হাড়ে জানে; মজা পুকুরে যেখানে সাঁতারের হাতেখড়ি, সেখানে এখন বরষার জলে খানিক প্রাণ পাওয়া খালই শেষ ভরসা। জল নেই তো সাঁতারও নেই।
জলকন্যাদের বেলায় এই সংগ্রামটাই হয়ে ওঠে দুঃস্বপ্ন; না থাকার গল্প বলতে বলতে ওরাও একসময় নাই হয়ে যায়।
বিনোদনের খোরাক জোগালেও কুষ্টিয়া সুইমিং ক্লাবের এই নীল জল আমলার সাঁতারুদের কাজে আসছে না; স্বপ্ন আর সাধ্যের মধ্যে ফারাক টেনেছে দূরত্ব।
করোনায় ফাঁকা পড়ে থাকা সুইমিংপুলের মতোই তাই হাহাকার আমলার বুকে; জলে ভর করে বাংলার অলিম্পিক মাতানোর স্বপ্নটাই তাই থাকে অধরা; ক্রীড়া জগতের অভিভাবকরা ওদের স্বপ্নের আহাজারি শুনতে কী পায়?
একাত্তর/ এনএ