ব্যাটিং ব্যর্থতায় ঘরের মাঠেই হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া করেছিল বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে ছিল হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর চ্যালেঞ্জ। তবে ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় সেখানেও হার এড়াতে পারেননি তাওহিদ হৃদয়রা। ৫৪ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের বড় জয়ে টাইগারদের হোয়াইটওয়াশ করলো অস্ট্রেলিয়া।

রোববার চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৬১ রান করেন তাওহিদ হৃদয়। জবাবে ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।

ওপেনিং জুটিতে পাওয়ার প্লেতেই অস্ট্রেলিয়া যোগ করেছে ৫৪ রান। জশ ইংলিস ১৭ রান করে ফিরলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। প্রথম উইকেটটি নেন নাসুম আহমেদ। 

তার পর জয়ের মূল কারিগর ছিলেন অধিনায়ক ও ওপেনার মিচেল মার্শ। ২৮ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৬০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন তিনি। তার ব্যাটেই জয়ের কাছে পৌঁছায় দল। মার্শকে ৬০ রানে শরিফুল ইসলাম যখন থামান, তখন স্কোর ছিল ৮৮ রানে ২ উইকেট। তার পর কুপার কনোলি রিশাদের বলে ১৫ রানে ফিরলে টিম ডেভিড ৩ বলে ২ ছক্কায় ১২ রান করে দ্রুত জয় নিশ্চিত করেছেন। সঙ্গে ম্যাট রেনশ ৬ রানে অপরাজিত থাকেন।    

এরআগে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে বাজে ব্যাটিংয়ের উদাহরণ রাখে বাংলাদেশ। টস জিতে ৮ উইকেটে করেছে ১০৯ রান। 

পাওয়ার প্লেতে ১১ রানের মধ্যে পড়ে যায় ৩ উইকেট। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ। বরং নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নিজেদের অবস্থাকে আরও অগোছালো করেছে। ৬৫ রানে পড়েছে সপ্তম উইকেট। একশর আগে গুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা জাগলেও ব্যাট হাতে একা লড়াই করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ৫১ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের পুরো ইনিংসের মূল ভিতটাই ছিল হৃদয়ের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ রান করেছেন রিশাদ হোসেন। 

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন স্পেন্সার জনসন, নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা। একটি নিয়েছেন নিখিল চৌধুরী।