ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সহজ জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়েছেন লঙ্কানরা।
ব্যাঙ্গালুরুতে বৃহস্পতিবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩৩.২ ওভারে ১৫৬ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। জবাবে ২৫.৪ ওভারেই জয় নিশ্চিত হয় শ্রীলঙ্কার।
অবশ্য শুরুতে রান তাড়ায় নেমে কিছুটা ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। দলীয় ৯ রানে তারা হারায় কুশাল পেরেরার উইকেট। স্কোর বোর্ডে আরও ১১ রান ওঠার পর বিদায় নেন কুশাল মেন্ডিসও। দুজনকেই ফেরান ডেভিড উইলি।
এরপর পাথুম নিসাঙ্কা ও সাদেরা সামারাভিক্রমার নিরবচ্ছিন্ন জুটিতে লক্ষ্য পেরিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। পাথুম ও সাদেরা দুজনই পার হন হাফসেঞ্চুরির গণ্ডি। শেষ পর্যন্ত ৮৩ বলে পাথুম ৭৭ ও ৫৪ বলে সাদেরা ৬৫ রান করেন। এরমধ্যে পাথুমের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ২টি ছয়ের মার। সাদেরার ইনিংসটি সাজানো ৭ চার ও এক ছয়ের মারে।
এর আগে ব্যাটিং নিয়ে শুরুটা ভালোই করে ইংল্যান্ড। ডেভিড মালান ও জনি বেয়ারস্টোর ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন বিশ্বকাপ দলে ফেরা অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। ২৮ রান করা মালানকে কট বিহাইন্ড করেন তিনি।
এরপর জো রুট পড়েন রানআউটের ফাঁদে। ১০ বলে ৩ রান করা ইংলিশ ব্যাটিং স্তম্ভকে ফেরানোর পেছনেও অবদান ম্যাথুসের থ্রোয়ের। ৫৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ইংলিশরা। এরপর কাসুন রাজিথার শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন জনি বেয়ারস্টোও (৩১ বলে ৩০)।
দলের হাল ধরতে পারেননি জস বাটলারও। তাকে ৮ রানে দ্রুত বিদায় করেন লাহিরু কুমারা। লিভিংস্টোন বিদায় নিলে ইংল্যান্ড হারায় তাদের পঞ্চম উইকেট। কুমারার বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে ৬ বল খেলে ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
সেখান থেকে দলকে টানছিলেন বেন স্টোকস ও মইন আলি। তবে ৩৭ রান যোগ করতেই মঈন আলীর(১৫) বিদায়ে ভাঙে জুটি। স্টোকসকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হন ক্রিস ওকসও(০)। একাই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন স্টোকস। দলীয় ১৩৭ রানে ৭৩ বলে ৪৩ রান করে আউট হন তিনি। এরপর দ্রুতই আরও দুই উইকেট হারিয়ে ৩৩ ওভার ২ বলে ১৫৬ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। শ্রীলঙ্কার পক্ষে লহিরু কুমারা নেন তিন উইকেট।
ওয়ানডের বিশ্ব মঞ্চে ২০০৭ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টানা পাঁচ ম্যাচ হারলো ইংল্যান্ড। চলতি আসরে পঞ্চম ম্যাচে চতুর্থ হারে সেমি-ফাইনালের স্বপ্ন আরও ফিকে হয়ে গেল জস বাটলারের দলের।